AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kalita Majhi: ‘সত্যিই মন্ত্রী হলাম?…’, লোকের বাড়ির কাজ করার মাঝেই নজরে পড়েছিলেন কলিতা! কোন বিশেষ গুণে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে মন্ত্রী করল বিজেপি?

Kalita Majhi Minister: কলিতা মন্ত্রী হওয়ায় আবেগে ভাসছে আউশগ্রাম। একটা ছোট্ট এক চালা বাড়ির বউ। সংসারের চাল নুন কেনার গার্হস্থ্য অনুশাসনের লড়াই চালান নিত্য দিন। পরিচারিকার কাজ করেন। খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান। বিয়েও হয়েছিল তাড়াতাড়ি। কিন্তু যে ঘরে বিয়ে হয়েছিল, সুখ ফেরেনি সেখানেও। শ্বশুরবাড়িতেও অনটন তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের হাল ধরতে পরিচারিকার কাজ শুরু করেন।

Kalita Majhi: 'সত্যিই মন্ত্রী হলাম?...', লোকের বাড়ির কাজ করার মাঝেই নজরে পড়েছিলেন কলিতা! কোন বিশেষ গুণে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে মন্ত্রী করল বিজেপি?
কলিতা মাজি, মন্ত্রীImage Credit: TV9 Bangla
| Updated on: Jun 01, 2026 | 1:30 PM
Share

কলকাতা: নির্বাচনের সময়ে প্রার্থী তালিকায় যখন তাঁর নামটা ছিল, তখন থেকে বহু আলোচনা হয়েছে। এবারও যখন রবিবার তাঁর কাছে ফোনটা গিয়েছিলেন, ভাঙা চাতালের উঠোনে বসে ফোনটা ধরেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের বিধায়িকা তিনি। এক সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ফোনটা যখন এসেছিল, তখন কেবল বলা হয়েছিল কলকাতায় যেতে হবে। কেন, কী কারণ তখনও বলা হয়নি। সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন মন্ত্রী হচ্ছেন! খবরটা জেনে বেশ কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে যান, পরে বলেন, “আমাকে যখন নির্বাচনের জন্য টিকিট দেওয়া হল, সেটাই অনেক। মন্ত্রী হব, কোনওদিনও ভাবিনি। মানুষের পাশে থাকব। সত্যিই মন্ত্রী হব?”

আজ কলিতা মন্ত্রী হওয়ায় আবেগে ভাসছে আউশগ্রাম। একটা ছোট্ট এক চালা বাড়ির বউ। সংসারের চাল নুন কেনার গার্হস্থ্য অনুশাসনের লড়াই চালান নিত্য দিন। পরিচারিকার কাজ করেন। খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান। বিয়েও হয়েছিল তাড়াতাড়ি। কিন্তু যে ঘরে বিয়ে হয়েছিল, সুখ ফেরেনি সেখানেও। শ্বশুরবাড়িতেও অনটন তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের হাল ধরতে পরিচারিকার কাজ শুরু করেন। কিন্তু মানুষের পাশে থাকা তাঁর নেশা। এলাকার তাঁর মতো দরিদ্র পরিবারের মহিলাদের যে কোনও আপদে বিপদে সাহায্য করতে পিছ না হননি। এভাবেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সংস্পর্শে আসা তাঁর। বিজেপির পার্টি অফিসে রোজ সন্ধ্যায় গিয়ে আধ ঘণ্টার জন্য বসতেন। লোকের কথাবার্তা শুনতেন। নেতাদের পরামর্শ নিতেন।

যে সময়ে তিনি বিজেপি করা শুরু করেছিলেন, সে সময়ে বাংলায় বিজেপি তাঁর অস্বিত্ব রক্ষারই লড়াই চালাচ্ছে। ‘বিজেপি করি’ এটা বলার মতোও সাহস দেখাতেন না কেউ। ২০২১ সালেও বিজেপি তাঁকে টিকিট দিয়েছিল। কিন্তু লড়াইয়ে সফল হননি। তারপর তাঁর ওপর দিয়ে বহু ঝড় গিয়েছে। ২০২৬এও লড়াই।  আউশগ্রামের বিধায়ক বলেন, ‘মানুষের পাশে থাকলে সাফল্য আসবেই। মন্ত্রী হওয়ার পরও মানুষ আমাকে আগের মতোই পাবে। একইরকমভাবে মানুষের কাছে সমস্যার কথা শুনব।’

Follow Us