
কলকাতা: অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সবরকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে। বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেই জানিয়েছিলেন মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এবার প্রথম দফার নির্বাচনের দিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করতে ২৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগের কথা জানাল কমিশন। কোথায় কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, কমিশন সেই হিসেবও দিয়েছে। জেনে নিন, প্রথম দফার ভোটে কোন জেলায় কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।
প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল রাজ্যেরে ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফাতেই উত্তরবঙ্গের সব জেলাগুলিতে ভোটগ্রহণ হবে। অর্থাৎ দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহের সব আসনে ভোট হবে প্রথম দফাতে। এছাড়া মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।
জেনে নিন কোথায় কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে-
কমিশন যে হিসেব দিয়েছে, তাতে প্রথম দফায় মোট ২৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। কী বলছে কমিশনের হিসেব? কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটে দার্জিলিংয়ে থাকবে ৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আবার শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে থাকবে ৪৪ কোম্পানি। কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এছাড়া ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি এবং মালদহে ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।
মুর্শিদাবাদের দুটি পুলিশ জেলার মধ্যে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ৭৬ কোম্পানি এবং মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। অর্থাৎ মুর্শিদাবাদ জেলায় সবমিলিয়ে ৩১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে।
কমিশন জানিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২৭৩ কোম্পানি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৭১ কোম্পানি, ঝাড়গ্রাম জেলায় ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি এবং বীরভূম জেলায় ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে থাকছে ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, নির্বিঘ্নে ভোট করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁক রাখা হচ্ছে না।