Infrared Victim Locator Camera: তারাতলায় জীবন বাঁচাতে হাজির ‘ইনফ্রারেড ভিকটিম লোকেটার ক্যামেরা’, কীভাবে কাজ করে জানেন?
Taratala Disaster: সম্পূর্ণ অন্ধকারেও এই ক্যামেরার সাহায্যে দেখতে পাওয়া যায়। কংক্রিটের নিচে বা মাটির গভীরে যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না, সেখানেও এই ক্যামেরা কাজ করে। এর নাইট-ভিশন এবং ইনফ্রারেড সেন্সর সম্পূর্ণ অন্ধকারেই ভিতরের স্পষ্ট ছবি কন্ট্রোল রুমে পাঠাতে সক্ষম।

কলকাতা: তারাতলায় এখনও পুরোদমে চলছে উদ্ধারকাজ। এনডিআরএফের সেকেন্ড ব্যাটেলিয়ানের কমান্ডার মনীশ রঞ্জন বলছেন, “বেশ কিছু জায়গায় ব্ল্যাক হোল বা ব্ল্যাক জোন আছে, যেখানে লোহার বিম ও কলাম একাকার হয়ে গেছে। এখনো ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হয়ে বলছি না যে, কেউ নেই। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে ভিতরে কেউ আটকে নেই। আমরা সম্পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এখনও অপারেশন চালাব।” আর নিশ্চিত হতেই মাঠে নেমেছে ইনফ্রারেড ভিকটিম লোকেটার ক্যামেরা। কিন্তু জানেন কীভাবে কাজ করে এই অত্যাধুনিক ক্যামেরা?
কীভাবে কাজ করে?
এতে ইনফ্রারেড রশ্মি ব্যবহার করে কংক্রিটের স্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষের অবস্থান নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। একটা লম্বা, নমনীয় রডের মাথায় লাগানো থাকে ক্যামেরা। ধ্বংসস্তূপের সরু ফাটল দিয়েও যেটাকে ভিতরে পাঠানো সম্ভব। ফলে জীবিত কেউ থাকলে তা সহজেই টের পাওয়া য়ায়। জীবিত মানুষের শরীর থেকে অনবরত তাপ নির্গত হয়। এই ক্যামেরা সেই তাপ বা ‘হিট সিগনেচার’ সনাক্ত করতে পারে।
শুধু তাই নয়, সম্পূর্ণ অন্ধকারেও এই ক্যামেরার সাহায্যে দেখতে পাওয়া যায়। কংক্রিটের নিচে বা মাটির গভীরে যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না, সেখানেও এই ক্যামেরা কাজ করে। এর নাইট-ভিশন এবং ইনফ্রারেড সেন্সর সম্পূর্ণ অন্ধকারেই ভিতরের স্পষ্ট ছবি কন্ট্রোল রুমে পাঠাতে সক্ষম। ক্যামেরায় রয়েছে অত্যন্ত সংবেদনশীল মাইক্রোফোন, আছে স্পিকার। এর মাধ্যমে ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা ব্যক্তির কোনওরকম আওয়াজ বের বলেই তা উদ্ধারকারীরা শুনতে পান। বাইরে থেকেও সেই ব্যক্তির কাছে বার্তা পাঠানো সম্ভব হয়।
শুধু এই ক্যামেরা নয়, ভিতরে কেউ আটকে আছে কিনা তা জানতে থার্মাল স্ক্যানিংও করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। হাসপাতালেও চিকিৎসাধীন অনেকে।
