Chorbagan Sarbojanin Pandal: চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে আহত একাধিক, আশঙ্কাজনক বহু! সপ্তমীর সন্ধ্যায় ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা

Kolkata Durga Puja Stampede: সপ্তমীর সন্ধ্যায় ওই মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে মানুষের ঢল নামে। ভিড়ের মাত্রা এত বেশি ছিল যে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। এর মধ্যেই মণ্ডপের কোনও অংশ বা কাঠামো ভেঙে পড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে একটি সূত্রে দাবি করা হচ্ছে। আকস্মিক এই ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়োহুড়ি পড়়ে যায়। আর তাতেই বিপত্তি। 

Chorbagan Sarbojanin Pandal:  চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে আহত একাধিক, আশঙ্কাজনক বহু! সপ্তমীর সন্ধ্যায় ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা
চোর বাগানে পদপিষ্টImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Oct 17, 2026 | 9:48 PM

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় জমজমাট পুজো পরিক্রমায় বড়সড় বিপত্তি। কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসবের মণ্ডপে অতিরিক্ত ভিড়ের চাপে হুড়োহুড়িতে দুর্ঘটনা। ধাক্কাধাক্কিতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের চোট গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। এমনকি এক পুলিশ আধিকারিকও সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেছেন বলে খবর। আহতদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালে পৌঁছছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

স্থানীয় সূত্রে খবর, সপ্তমীর সন্ধ্যায় ওই মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে মানুষের ঢল নামে। ভিড়ের মাত্রা এত বেশি ছিল যে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। এর মধ্যেই মণ্ডপের কোনও অংশ বা কাঠামো ভেঙে পড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে একটি সূত্রে দাবি করা হচ্ছে। আকস্মিক এই ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়োহুড়ি পড়়ে যায়। আর তাতেই বিপত্তি।

এক দর্শনার্থী বলেন, “মণ্ডপের একাংশ ভেঙে পড়েছে শুনেছে। নিজের প্রাণ বাঁচাতে সবাই দৌড়তে শুরু করেছিলেন। পড়ছেন, আর পদপিষ্ট হয়েছেন। আর মারা গিয়েছেন।” স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, ‘এখানে পাঁচজন পড়েছিল।’ এখানে ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে দর্শনার্থীরাও। এক জন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এখানে হাজার হাজার ভলান্টিয়র, পুলিশ ছিল। কিন্তু কোনও ব্যবস্থাই প্রথমে নেওয়া হচ্ছিল না। এত বড় ঘটনা ঘটছে. চোখের সামনে দেখছে। কলকাতা পুলিশের গাড়ি দাঁড়িয়েছিল, পুলিশ কিছু করেনি। আমরা লোকালরাই করে গিয়েছি। পুজো কমিটির কোনও লোককেই দেখা যায়নি।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, এত বড় পুজো হচ্ছে কোনও অ্যাম্বুলেন্স ছিল না সেখানে।

এলাকায় পুজো বলে, স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়ির সামনের রাস্তা ফাঁকা করা হয়েছিল। পাড়ার বাসিন্দাদের যে  নিজস্ব গাড়িগুলো দাঁড়িয়ে থাকত, সেগুলোও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এলাকাবাসীর বক্তব্য, “যদি সেই গাড়ি গুলোও থাকত, তাহলে অন্ততপক্ষে ১০ জনকে বাঁচানো যেত। শুধু ভিআইপি, গেস্টদের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য নয়।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us