Kolkata Firing: কলকাতার বুকে এ কী কাণ্ড! সোশ্যাল মিডিয়ায় খুনের হুমকি, তারপরই পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করল ‘খরগোশ’
Kolkata Shooting: স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে খবর, সম্প্রতিই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে অভিযুক্ত কার্তিক। কার্তিকের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর বেশ কিছুদিন ধরে পারিবারিক বিবাদ চলছিল। সেই বচসাকে কেন্দ্র করেই পরিবারের অন্যদের সঙ্গে গন্ডগোল শুরু হয়।

কলকাতা: রাতের শহরে চলল এলোপাথাড়ি গুলি। গুলিবিদ্ধ হলেন এক ব্যক্তি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। ঘটনাটি ঘটেছে নর্থ পোর্ট থানা এলাকার মন্ডল স্ট্রিটে। পারিবারিক বিবাদের জেরে এই ঘটনা বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির নাম সন্তোষ চৌধুরী। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরও পরিচয় জানা গিয়েছে। অভিযুক্ত কার্তিক সোনকার ওরফে খরগোশ পলাতক। গুলিবিদ্ধ সন্তোষ চৌধুরী এবং হামলাকারী কার্তিক সোনকার সম্পর্কে ভায়রা ভাই।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে খবর, সম্প্রতিই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে অভিযুক্ত কার্তিক। কার্তিকের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর বেশ কিছুদিন ধরে পারিবারিক বিবাদ চলছিল। সেই বচসাকে কেন্দ্র করেই পরিবারের অন্যদের সঙ্গে গন্ডগোল শুরু হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর ছবি পোস্ট করে দিয়েছিল অভিযুক্ত, এমনটাই অভিযোগ। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি বলে দাবি প্রতিবেশীদের।
অভিযোগ, এর আগেও একাধিকবার সন্তোষকে হুমকি দিয়েছিল কার্তিক। এমনকী, গতকাল মধ্য রাতে গুলি চালানোর আগে ফেসবুকেও পোস্ট করে হুমকি দিয়েছিল অভিযুক্ত ‘খরগোশ’।
এদিকে, পরিবারের সদস্যদের দাবি, বোনের সঙ্গে ঝামেলার কারণে ভায়রাভাই সন্তোষ চৌধুরী উপরে হামলা চালায় কার্তিক সোনকার। শনিবার রাতে নর্থ পোর্ট থানা এলাকার পাথুরিয়া ঘাটে এসে দেখা করে সন্তোষের সঙ্গে। পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় কার্তিক। এলাকা ফাঁকা হয়ে যেতেই সন্তোষকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে, এমনটাই অভিযোগ।
সন্তোষের পেটে গুলি লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তখনই অভিযুক্ত একটি স্কুটিতে চেপে চম্পট দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে নর্থ পোর্ট থানার পুলিশ। খোঁজ চলছে অভিযুক্তের।
