Lungs Transplant in Kolkata: ফুসফুস প্রতিস্থাপনে ইতিহাস কলকাতায়, ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে যুবক

Medica: যদিও অস্ত্রোপচার এখনই সফল এমনটা বলতে চাইছেন না চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের সময় না কাটলে যুবককে বিপদমুক্ত বলা যাবে না।

Lungs Transplant in Kolkata: ফুসফুস প্রতিস্থাপনে ইতিহাস কলকাতায়, ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে যুবক
প্রথমবার ফুসফুস প্রতিস্থাপনের সাক্ষী থাকল কলকাতা। প্রতীকী চিত্র।

কলকাতা: পূর্ব ভারতের ইতিহাসে নজির তৈরি করল কলকাতা। রাজ্যে প্রথম ফুসফুস প্রতিস্থাপন (Lungs Transplant in Kolkata) হল কলকাতার হাসপাতালে। মরণোত্তর অঙ্গদানের পর সুরাটের রোগীর ফুসফুস পেলেন কলকাতার যুবক। ১০৩ দিন ধরে একমোয় থাকা যুবকের শরীরে এই প্রতিস্থাপনপর্ব চলে। আপাতত তিনি স্থিতিশীল। তবে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে তাঁকে।

বাংলায় ফুসফুস প্রতিস্থাপনের নজির এর আগে ছিল না। সোমবার মহানগরে তৈরি হল সেই রেকর্ড। প্রথমবার ফুসফুস প্রতিস্থাপন হল কলকাতায়। মুকুন্দপুরের মেডিকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে এই অস্ত্রোপচার হয়। রাত ১০টার কিছু পরে সুরাট থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছয় ফুসফুস। গ্রিন করিডর করে তা নিয়ে যাওয়া হয় মুকুন্দপুরে। সেখানে রাতেই হয় ফুসফুস প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচার।

যদিও অস্ত্রোপচার এখনই সফল এমনটা বলতে চাইছেন না চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের সময় না কাটলে যুবককে বিপদমুক্ত বলা যাবে না। সোমবার ৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অস্ত্রোপচার চলেছে ওই যুবকের শরীরে। রাজ্যের প্রথম যে ফুসফুস প্রতিস্থাপন হল, তা ৪৬ বছরের এক যুবকের শরীরে হয়। এই যুবক করোনার পর ১০৩ দিন ধরে একমো সাপোর্টে ছিলেন।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ডাক্তার কুণাল সরকারের নেতৃত্বে এদিনের যে ইতিহাস তৈরি হল তার সাক্ষী ছিলেন চিকিৎসক অর্পণ চক্রবর্তী, চিকিৎসক সপ্তর্ষি রায়, চিকিৎসক সৌম্যজিৎ ঘোষ, চিকিৎসক দেবাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। তাঁদের উপস্থিতিতেই এই অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হয়। তবে চিকিৎসকদের ভাবাচ্ছে ফাইব্রোসিস। দীর্ঘদিন একমোয় থাকার ফলে রক্তক্ষরণের একটা সম্ভাবনা যেমন রয়েছে। একই ভাবে অন্যান্য কোনও জটিলতা তৈরি হয় কি না তাও নজরে রাখছেন চিকিৎসকরা।

শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, গোটা পূর্ব ভারতে ফুসফুস প্রতিস্থাপনের ইতিহাস গড়ল মুকুন্দপুরের এই বেসরকারি হাসপাতাল। এর আগে পূর্ব ভারতে ফুসফুস প্রতিস্থাপনের কোনও ইতিহাস নেই। রাজ্যের সবথেকে বড় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএমে ইতিমধ্যে ফুসফুস প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরির কাজ সমাপ্ত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের স্ত্রী যখন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, তখন তাঁরও ফুসফুস প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। প্রথমে একমো সাপোর্টে রাখা হলেও পরে ফুসফুস প্রতিস্থাপনের জন্য চেন্নাইতে নিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে। সেই সময় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে কলকাতা থেকে চেন্নাইতে নিয়ে যাওয়া হয়। কারণ, কলকাতায় তা সম্ভব হয়নি।

অবশ্য কলকাতায় ফুসফুস প্রতিস্থাপন না হলেও কিডনি প্রতিস্থাপনের সাক্ষী থেকেছে। এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে শুরু করে নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন করেছে। এবার ফুসফুস প্রতিস্থাপন করে ইতিহাস তৈরি করল তিলোত্তমা।

আরও পড়ুন: Sukanta Majumder: ‘উত্তরবঙ্গ-দক্ষিণবঙ্গ বলে কিছু হয় না, পশ্চিমবঙ্গ একটাই’, কলকাতায় পা রেখে বললেন বিজেপির নয়া রাজ্য সভাপতি

Read Full Article

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla