AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘বাংলাদেশের মতো আন্দোলন হবে’, সভা থেকে তৃণমূল নেতৃত্বের হুঁশিয়ারি

দলের তরফে এক কদম এগিয়ে আরও বলা হয় যে প্রয়োজনে বাংলাদেশ বা নেপালের মতো আন্দোলন করা হবে। তাদের দমাতে যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে তবে তাদের সঙ্গেও সরাসরি সংঘাতের পথে যেতে পিছপা হবে না বলে দাবি তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের। পাশাপাশি আইনি লড়াইয়ের কথাও জানিয়েছেন তৃণমূল নেতারা।

'বাংলাদেশের মতো আন্দোলন হবে', সভা থেকে তৃণমূল নেতৃত্বের হুঁশিয়ারি
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 06, 2026 | 7:12 AM
Share

জলপাইগুড়ি: বিধানসভা নির্বাচন বানচাল করে দেওয়ার হুমকি! নাম বাদ ইস্যুতে এবার কমিশনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের পথে নামতে চলেছে তৃণমূল। আজ শুক্রবার এসআইআর ইস্যুতে পথে নামছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধরনায় বসতে চলেছেন তিনি। তার আগে দলের সংখ্যালঘু সেলের তরফে একটি সভা থেকে রীতিমতো আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয় নেতৃত্ব।

বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ির বাহাদুর অঞ্চলে তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের তরফে সভা ছিল। ওই সভা থেকে তৃণমূল নেতৃত্ব হুঁশিয়ারি দেয়, আগামীতে যে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে চলেছে, সেই তালিকায় যদি সব জীবিত ভোটারদের নাম না থাকে তাহলে জলপাইগুড়ি জেলায় ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন করতে দেবেননা তাঁরা।

দলের তরফে এক কদম এগিয়ে আরও বলা হয় যে প্রয়োজনে বাংলাদেশ বা নেপালের মতো আন্দোলন করা হবে। তাদের দমাতে যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে তবে তাদের সঙ্গেও সরাসরি সংঘাতের পথে যেতে পিছপা হবে না বলে দাবি তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের। পাশাপাশি আইনি লড়াইয়ের কথাও জানিয়েছেন তৃণমূল নেতারা।

এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের অঞ্চল সভাপতি মেহেবুব আলম, উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল মাদারের জেলা কমিটির সদস্য পল হাসান প্রধান। উপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী ভোটার। তাঁরাও তাদের নাম সংযোজনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

এসআইআরে জলপাইগুড়ি জেলায় ১,৬৫,১০৮ জন ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে।

এডজ্যুডিকেশন তালিকায় ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ৮হাজার। জেলায় ১০ জন জুডিশিয়াল অফিসার এই ১ লক্ষ ৮হাজার ভোটারের নথিপত্র খতিয়ে দেখার কাজ করছেন।

জেলায় মোট ভোটার ছিল ১৯১৪০২২ জন।

SIR শুরুর পর মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটার হিসেবে বাদ যায় ১,৩৩,১০৭ জনের নাম৷

এরপর লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সিতে ডাক পান ২,৭৫,৪০২ জন ভোটার।

আনম্যাপ ক্যাটাগরিতে ছিলেন ৭৭৪৪০ জন ভোটার।

হিয়ারিং-এর পর এবারে বাদ পড়ল ৩২,৭৮৫ জন ভোটারের নাম।

জলপাইগুড়ি জেলার মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৪৮৯১৪ জন।

তৃণমূল নেতাদের এই মন্তব্যকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

নির্বাচন করতে না দেওয়ার বিষয়টিকে বিজেপির তরফে ফাঁকা আওয়াজ বা হাওয়া গরম করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য সৌজিত সিংহ। তিনি বলেন, “দেশে জামাতের সরকার নেই। তাই তৃণমূল নেতাদের সংযত হয়ে মন্তব্য করাই ভালো।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক বিজেপি নেতা কর্মীদের নামও বিচারাধীন রয়েছে। তাই তাঁরাও উদ্বিগ্ন। কিন্তু প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে নাম অবশ্যই কাটা যাবে।