Kolkata Metro: আত্মহত্যা হোক বা লোডশেডিং, আর মাঝপথে দাঁড়িয়ে থাকবে না মেট্রো, কেন জানেন?
Kolkata Metro: কলকাতা মেট্রো সূত্রে খবর, মেট্রো আত্মহত্যার ঘটনা ঘটলে অথবা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জেরে মাঝেমধ্যেই সাধারণ মানুষকে ভুক্তভোগী হতে হয়। এমনকী, টানেল বা সুড়ঙ্গের ভিতরে মেট্রোরেক দাঁড়িয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষকে লাইনের উপর দিয়ে হেঁটে বের করে নিয়ে আসতে হয়।

কলকাতা: বিদ্যুৎ বিপর্যয় হলে অনেক সময় মেট্রো রেক দাঁড়িয়ে পড়ে। সুড়ঙ্গের ভিতরেই মেট্রোতে আটকে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। যার জেরে অনেকেই আতঙ্কে ভোগেন, তৈরি হয় অস্থিরতা। এবার আর বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে মেট্রো রেক আর দাঁড়িয়ে পড়বে না সুড়ঙ্গের ভিতরে।থার্ড লাইনে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে মেট্রো রেক লাইনের উপরে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষের ভুক্তভোগীর আর কারণ হবে না। কারণ, ১২৩২টি ব্যাটারি যুক্ত হল মেট্রো ট্র্যাকে,শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বর যুক্ত হল অভিনব প্রযুক্তিতে।
অর্থাৎ এখন মেট্রো রেক শুধু বিদ্যুৎ নির্ভর নয়, বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে ব্যাটারি যুক্ত করা মেট্রো ট্র্যাকের সঙ্গে। এবার থেকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মেট্রো রেক দাঁড়িয়ে পড়লে, এই ব্যাটারি রেকটিকে টেনে নিয়ে যাবে। যেখানে মূলত দাঁড়িয়ে পড়বে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে, সেখান থেকে নিকটবর্তী মেট্রো স্টেশন অথবা অন্তিম স্টেশন পর্যন্ত এই ব্যাটারির ক্ষমতায় রেকটি এগিয়ে যাবে।
ডেলটা ইলেকট্রনিক্স গত ছয় মাসে মেট্রোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার পর এই নয়া বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করতে সক্ষম হল। বুধবার মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার শুভ্রাংশ শেখর মিশ্রা এই নয়া ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।
ব্যাটারির বৈশিষ্ট্য কী?
এদিন মূল সার্ভার রুমে গিয়ে দেখা গেল, মোট ৮৮টি তাক না সেলফ রয়েছে। এক একটি সেলফে ১৪টি ব্যাটারি অর্থাৎ গোটা সার্ভার রুমে মোট ১২৩২টি ব্যাটারি রয়েছে। এই ব্যাটারিগুলি সমবেতভাবে প্রতি ঘণ্টায় ৬.৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারে। যার ফল যে কোনও রেক সহজেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে দাবি করেছেন ইঞ্জিনিয়ারদের।

এই সেই ব্যাটারি

এই সেই ব্যাটারি

এই সেই ব্যাটারি
একই সঙ্গে রাখা হয়েছে উন্নত প্রযুক্তির সার্ভার মেশিন। যা দিয়ে দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো রেক চলাচল যুক্ত থাকবে।
কলকাতা মেট্রো সূত্রে খবর, মেট্রো আত্মহত্যার ঘটনা ঘটলে অথবা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জেরে মাঝেমধ্যেই সাধারণ মানুষকে ভুক্তভোগী হতে হয়। এমনকী, টানেল বা সুড়ঙ্গের ভিতরে মেট্রোরেক দাঁড়িয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষকে লাইনের উপর দিয়ে হেঁটে বের করে নিয়ে আসতে হয়। নতুন ব্যাটারির হলে সেই দুর্ভোগ আর থাকবে না। ব্যাটারির মাধ্যমে চলবে মেট্রো, এই নয়া প্রযুক্তি ভারতবর্ষে প্রথম বলেই দাবি করলেন কলকাতা মেট্রো এবং এই ব্যাটারী নির্মাণকারী সংস্থার আধিকারিকরা।
মূলত সুড়ঙ্গের ভিতরের অংশেই সবথেকে বেশি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মেট্রো তরফে জানানো হয়েছে।
কলকাতা মেট্রোর জেনারেল ম্যানেজার বলেন, “অনুমতি পাওয়ার পরই আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি। যতক্ষণ না অনুমতি পাচ্ছিলাম, ততক্ষণ তো কাজ করতে পারছিলাম না।” এরপর সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন কবি সুভাষ মেট্রো কবে থেকে চালু হবে? সেই নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা শীঘ্রই চালু করব। যেহেতু মার্চে পরীক্ষা রয়েছে। সেই কারণে আমরা আর এখনই চালু করছি না।”
