AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Gopal Mukherjee Road: সুরাওয়ার্দির নাম বদলে পার্ক সার্কাসের এই রাস্তা এবার গোপাল পাঁঠার

Suhrawardy Avenue renamed Gopal Mukherjee Road in Kolkata: গত বছরের অগস্টে 'গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং'-এ মৃতদের স্মরণে পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাতে ছিল গোপাল মুখোপাধ্যায়ের ছবি। মিছিল শেষে আলিপুরে গোপাল মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির উন্মোচন করেছিলেন।

Gopal Mukherjee Road: সুরাওয়ার্দির নাম বদলে পার্ক সার্কাসের এই রাস্তা এবার গোপাল পাঁঠার
প্রতীকী ছবিImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 21, 2026 | 6:34 PM
Share

কলকাতা: এবার গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তা হচ্ছে কলকাতায়। পার্ক সার্কাস এলাকার সুরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম পাল্টে রাখা হচ্ছে গোপাল মুখোপাধ্যায় রোড। কলকাতা পৌরনিগমের কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে এই নিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। এই সিদ্ধান্তের জন্য কলকাতা পৌরনিগমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, ক্ষমতায় এসেই গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নাম রেখে তাঁকে সম্মান জানাল বিজেপি সরকার।

১৯৪৬ সালে ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-র কথা প্রায়ই বলে থাকে বিজেপি। ১৯৪৬ সালে হিন্দু হত্যার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন গোপাল মুখোপাধ্যায়। হিন্দুদের মসিহা হয়ে উঠেছিলেন। হিন্দুদের রক্ষা করতে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন তিনি। বউবাজারের মলঙ্গালেন নিবাসী গোপালদের একটি পারবারিক পাঁঠার দোকান ছিল কলেজ স্ট্রিটে। পেশায় তিনি একজন কসাই। সেই জন্য তাঁকে গোপাল পাঁঠা বলা হত।

গত বছরের অগস্টে ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এ মৃতদের স্মরণে পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাতে ছিল গোপাল মুখোপাধ্যায়ের ছবি। মিছিল শেষে আলিপুরে গোপাল মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির উন্মোচন করেছিলেন। এদিন কলকাতা পৌরনিগমের সিদ্ধান্ত নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পৌরনিগমের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন। একইসঙ্গে তিনি লেখেন, প্রকৃত নায়কদের সম্মান জানানোর এটা সময়।

‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ নিয়ে ছবিও বানিয়েছেন বলিউড পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ নামে ওই সিনেমার ট্রেলার লঞ্চ ঘিরে কলকাতায় শোরগোল পড়েছিল। তৎকালীন শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে বাইপাসের ধারে একটি পাঁচতারা হোটেলে সিনেমার ট্রেলার লঞ্চে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

কী ঘটেছিল ১৯৪৬ সালে?

১৯৪৬ সালের ১৬ অগস্ট। মহম্মদ আলি জিন্নার নেতৃত্বে ‘১৬ অগস্ট’কে ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে হিসাবে ঘোষণা করা হয়। রাস্তায় খোলা অস্ত্র, লাঠি নিয়ে পায়চারি করছে একদল দুষ্কৃতী। মুখে স্লোগান ‘লড় কে লেঙ্গে পাকিস্তান’। ১৬, ১৭, ১৮ নির্বিচারে চলে হত্যা। সেই সময়ে প্রত্যেক রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী(স্বাধীনতার পরে তা মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যায়)  হত। সেই সময়ে বাংলার প্রধানমন্ত্রী গদিতে হোসেন শাহিদ সুরাওয়ার্দি। শোনা যায় তাঁর নির্দেশে ওই সময় ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসেছিল পুলিশ। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে নিজের দলবল অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাঠে নামেন গোপাল পাঁঠা। রক্ষা করেন শত শত প্রাণ। ২০০৫ সালে খানিকটা অন্তরালেই সেই গোপাল পাঁঠার মৃত্যু হয়।

Follow Us