AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

9 Crore Injection: চাই ৯ কোটির ইঞ্জেকশন! বিরল রোগে আক্রান্ত ছোট্ট অর্কজিতের চিকিৎসায় পথে নামছে শহর

9-Crore-Rupee Injection Needed: ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে জন্ম অর্কজিতের। প্রথমদিকে সব স্বাভাবিক থাকলেও, চলতি বছরের শুরু থেকেই ধীরে ধীরে ছবিটা বদলাতে থাকে। হাঁটতে গিয়ে পড়ে যাওয়া, সামান্যতেই হাঁপিয়ে ওঠা, ছেলের মধ্যে অস্বাভিকতা চিন্তা বাড়ায় পরিবারের সদস্যদের।

9 Crore Injection: চাই ৯ কোটির ইঞ্জেকশন! বিরল রোগে আক্রান্ত ছোট্ট অর্কজিতের চিকিৎসায় পথে নামছে শহর
চিন্তায় গোটা পরিবার Image Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jul 26, 2026 | 7:07 AM
Share

বালুরঘাট: খেলার বয়সে বিছানায় শয্যাশায়ী ছোট্ট অর্কজিত। বয়স মাত্র দু’বছর সাত মাস। এই বয়সে যখন তার সারা বাড়ি ছুটে বেড়ানোর কথা, তখন তার দু’টি পা ক্রমশ অসার হয়ে আসছে। বালুরঘাট ব্লকের ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতিয়াপাড়ার বাসিন্দা সামান্য কাঠমিস্ত্রি বিশ্বজিৎ মণ্ডল ও পায়েল মণ্ডলের একমাত্র সন্তান অর্কজিত বিরল ‘স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি টাইপ-২’ (SMA Type-2) রোগে আক্রান্ত। প্রয়োজন বিদেশ থেকে আনা ৯ কোটি টাকার একটি জীবনদায়ী ইঞ্জেকশন! কিন্তু কোথায় সেই টাকা! ছেলেকে জীবনের মূল স্রোতে কোন পথে ফিরিয়ে আনবেন তা ভেবেই কূল-কিনারা পাচ্ছেন না মা-বাবা। 

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে জন্ম অর্কজিতের। প্রথমদিকে সব স্বাভাবিক থাকলেও, চলতি বছরের শুরু থেকেই ধীরে ধীরে ছবিটা বদলাতে থাকে। হাঁটতে গিয়ে পড়ে যাওয়া, সামান্যতেই হাঁপিয়ে ওঠা, ছেলের মধ্যে অস্বাভিকতা চিন্তা বাড়ায় পরিবারের সদস্যদের। এই সব উপসর্গ দেখে বালুরঘাট, মালদহ হয়ে কলকাতাতেও ছোটেন তাঁরা। কিন্তু রোগ অধরাই থেকে যায়। অবশেষে গত ফেব্রুয়ারিতে চেন্নাইয়ে গিয়ে ধরা পড়ে এই প্রাণঘাতী রোগ। চিকিৎসকরা জানান, ওই মহার্ঘ ইঞ্জেকশনই পারে শিশুর স্বাভাবিক শৈশব ফিরিয়ে দিতে। কিন্তু নুন আনতে পান্তা ফুরোনো কাঠমিস্ত্রি বাবার পক্ষে ৯ কোটি টাকার এই বিশাল অঙ্ক জোগাড় করা কার্যত যে অসম্ভব তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

তবে এই ঘোর অন্ধকারে আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে বালুরঘাটবাসী। ছোট্ট অর্কজিৎকে বাঁচাতে পথে নেমেছেন শহরের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের পাশাপাশি দানবাক্স হাতে শহরের মোড়ে মোড়ে ঘুরছেন তাঁরা। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও নৃত্য সংস্থাও। স্ট্রিট ড্যান্স করেও অর্থ সংগ্রহ করছেন শিল্পীরা। ইতিমধ্যেই এক সহৃদয় ব্যবসায়ী ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা তুলে দিয়েছেন পরিবারের হাতে। কিন্তু ৯ কোটির লক্ষ্যমাত্রা এখনও বহু দূর। তাই সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এবার সরকারি সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন অসহায় বাবা-মা। 

Follow Us