AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

School Student Death: ‘স্কুলের সিঁড়ি দিয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে গেল…’, ১২ দিন কোমায় থাকার পর মৃত্যু আয়ুষের, শহরের স্কুলের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ

Kolkata School: গত ১৩ মে আর পাঁচটা দিনের মতো স্কুলে গিয়েছিল ওই ছাত্র। তার বাবা জানিয়েছেন, ছুটির সময় তিনি যখন ছেলেকে আনতে যান, তখন স্টাফরুম থেকে ফোন করে বলা হয় সেখানে যেতে। তিনি গিয়ে দেখেন, তাঁর ছেলে প্রায় অচৈতন্য অবস্থায় রয়েছে।

School Student Death: 'স্কুলের সিঁড়ি দিয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে গেল...', ১২ দিন কোমায় থাকার পর মৃত্যু আয়ুষের, শহরের স্কুলের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ
তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া আয়ুষের মৃত্যুImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: May 26, 2026 | 11:20 AM
Share

কলকাতা: তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যুর (Student Death) নিয়ে বড় অভিযোগ উঠল স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। ১২ দিন কোমায় থাকার পর মৃত্যু হয়েছে নেতাজিনগরের (Netajinagar) মহর্ষি বিদ্যা মন্দির স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আয়ুষ নাথের। অভিযোগ, স্কুলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও পরিবারকে কোনও খবর দেওয়া হয়নি। স্কুল থেকে বেরনোর পর ক্রমাগত অসুস্থতা বাড়ে তার। গত রবিবার মৃত্যু হয়েছে আয়ুষের।

এই মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্কুলের পড়ুয়াদের অভিভাবকরা। তাঁদের দাবি, বারবার বলা সত্ত্বেও স্কুলের পড়ুয়াদের প্রতি যত্ন নেওয়া হচ্ছে না। এই অভিযোগে, মঙ্গলবার সকাল থেকে স্কুলের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে শুরু করেছেন অভিভাবকরা।

কীভাবে মৃত্যু হল আয়ুষের?

গত ১৩ মে আর পাঁচটা দিনের মতো স্কুলে গিয়েছিল ওই ছাত্র। তার বাবা জানিয়েছেন, ছুটির সময় তিনি যখন ছেলেকে আনতে যান, তখন স্টাফরুম থেকে ফোন করে বলা হয় সেখানে যেতে। তিনি গিয়ে দেখেন, তাঁর ছেলে প্রায় অচৈতন্য অবস্থায় রয়েছে, গোটা শরীর জলে ভেজা, শিক্ষিকারা গালে মেরে মেরে তার চেতনা ফেরানোর চেষ্টা করছে।

এরপর স্কুল থেকে সোজা ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে যান তিনি। তারপর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। কোমায় চলে যায় আয়ুষ। তারপর ১২ দিন কোমায় থাকার পর গত রবিবার মৃত্যু হয়েছে আয়ুষের। মাথায় রক্তক্ষরণ হয়ে মৃত্যু বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

‘ছেলে সিঁড়ি দিয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে যায়…’

একরত্তি সন্তানকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন আয়ুষের মা। তিনি বলেন, “ছেলে স্কুলে গিয়েই জানিয়েছিল অসুস্থ বোধ করছে। সেই অবস্থায় ৬টা পিরিয়ড স্কুলেই বসিয়ে রাখা হল। বাড়িতে কেউ খবর দিল না। ওই অবস্থায় ভারী ব্যাগ নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে আমার ছেলে গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে যায়। দেওয়ালে জোরে ধাক্কা খায়। ওর বন্ধুরাই এসব বলেছে। স্কুল আমাদের কিছু বলেনি। আমরা যাতে না বুঝতে পারি, তার জন্য ওকে স্নান করিয়ে দেওয়া হয়।”

ঠিক কী অভিযোগ?

পরিবারের অভিযোগ, পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়লেও তার বাড়িতে খবর দেওয়া হয়নি, জোর করে বসিয়ে রাখা হয়েছিল স্কুলে।

অসুস্থ শিশুকে ভারী ব্যাগ নিয়ে নামার সময় সাহায্য করতে যায়নি কেউ।

চিকিৎসকরা ‘কেস হিস্ট্রি’ জানতে চাইলে আয়ুষের বাবা যখন স্কুলে যোগাযোগ করেন, তখনও পড়ে যাওয়ার কথা জানাননি শিক্ষিকারা।

স্কুলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। স্কুলের তরফে কেউ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি।

Follow Us