
কলকাতা: ভবানী ভবনে বিধায়ক কুণাল ঘোষকে (Kunal Ghosh) ঢুকতে ‘বাধা’ পুলিশের। শনিবার মমতার শ্রীরামপুরের সভায় যেতে গিয়ে পথেই আক্রান্ত হন বিধায়ক। তাঁর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। এরপরই গাড়ি ঘুরিয়ে সোজা ভবানী ভবনের (Bhavani Bhavan) উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। কিন্তু, ভবানী ভবনের গেটে পৌঁছলেও, ভিতরে ঢুকতে পারলেন না। পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসাও হয় বিধায়কের। তারপর আধ ঘণ্টা গেটের বাইরে অপেক্ষার পর সেখান থেকে বেরিয়ে আলিপুর থানায় যান তিনি।
দুপুর তিনটে-সাড়ে তিনটের দিকে কাচ ভাঙা গাড়ি নিয়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন কুণাল ঘোষ। সেইসময় পুলিশ আধিকারিক তাঁকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, গাড়ি নিয়ে ঢোকা যাবে না। পাল্টা কুণাল ঘোষ জানান, গাড়ি নিয়ে না ঢুকলে তাঁর পরিস্থিতিটা বোঝানো যাবে না। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা হয় তাঁর। পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কুণাল বলেন, “উনি বলছেন গাড়ি বাইরে রেখে ঢুকতে হবে। আমি তো এখানে নেমন্তন্ন খেতে আসিনি? আমি তো গাড়ির পরিস্থিতি দেখাতে চাই।” এরপরই গাড়ি থেকে নেমে ভবানী ভবনের গেটে পৌঁছন বিধায়ক। সেখানেও তাঁকে আটকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
কুণাল গেটে পৌঁছতেই পুলিশ আধিকারিকরা জানান, তাঁদের কাছে কোনও নির্দেশ নেই। বিধায়ক অনুরোধ করেন, রাজ্য পুলিশের যে কোনও আধিকারিকের সঙ্গে তাঁকে যেন দেখা করতে দেওয়া হয়। তারপরও বিধায়ককে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ক্ষোভ উগরে দিয়ে কুণাল বলেন, “আমি এখানে কোনও বিক্ষোভ দেখাতে আসিনি। আমি নিজেই ট্রমায় রয়েছি। আমাকে ঢুকতে দেওয়া হোক।আমি পরিষ্কার জানাতে এসছি উত্তরপাড়া রাজ্য পুলিশের অধীনে। তাই ভবানী ভবনে এসেছি।”
গেটের বাইরে প্রায় আধ ঘণ্টা অপেক্ষার পর আলিপুর থানায় যান কুণাল। সেখান থেকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “শনিবার হওয়ার জন্য ভবানী ভবনে অনেকেই নেই। সেক্ষেত্রে উত্তর পাড়ার থানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে পুলিশ। যে মেইলে আমি অভিযোগ পাঠিয়েছি, সেটা নিয়ে আইন মাফিক অগ্রসর হতে বলেছে উত্তরপাড়া থানাকে। আমরাও আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আর কী কী তথ্য দেওয়া যায়, তা জানব। তাতে পুলিশও সাহায্য করছে।”