
কলকাতা: একসময় এসএসকেএমের (SSKM) দায়িত্ব ছিল মদন মিত্রের (Madan Mitra) হাতে। অনেকেই এসএসকেএম রোগী ভর্তি করানোর জন্য মদন মিত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। পরে সেই এসএসকেএম নিয়ে নানা অভিযোগ তুলেছেন তিনি। আর এবার সেই সরকারি হাসপাতাল নিয়েই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন কামারহাটির বিধায়ক। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালীন এসএসকেএম থেকে সেরা চিকিৎসকদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
সম্প্রতি ২০২১-এর মমতার পায়ে আঘাত লাগার ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের ডিপার্টমেন্ট অব রেডিও ডায়াগোনাস্টিকের ২০২১ সালের ১১ মার্চের রিপোর্ট দেখিয়ে বলেন, “নো এভিডেন্স অব ফ্র্যাকচার।” নির্বাচনী বিধি উঠে গেলে এই মিথ্যে প্রচারের জন্য আমরা নতুন করে তদন্ত করা হবে বলেও জানান তিনি। সেই রিপোর্ট কীভাবে প্রকাশ্য়ে এল, তা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।
সেই প্রসঙ্গে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মদন মিত্র বলেন, “পায়ের ফ্র্যাকচার পাঁচ বছর আগের। স েই কাগজ শুভেন্দু অধিকারী পেলেন। তিনি তো পাঁচ বছর আগে ছিলেন না। তাই সত্য প্রকাশিত হোক। মানুষ সত্যিটা জানুক। ভুল তথ্য দিলে, মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করলে সেটা অপরাধ।”
এরপরই মদন মিত্র বলেন, “রোগী প্লেট আর প্রেসক্রিপশন সঙ্গে নিয়ে যায়। কম্পিউটারে রিপোর্ট থাকে। পিজির মতো আধুনিক হাসপাতালে সেই কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকে? সেটা আমরা বলতে পারব না।” সেইসঙ্গে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে কামারহাটির বিধায়ক বলেন, “সেই সময় যাঁদের বসিয়েছিলেন, তাঁদের সময়েই পিজির হাল সবথেকে খারাপ হয়েছিল। যাঁদের ডেপুটি সুপার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তাঁদের স্বাস্থ্য দফতরের উচ্চপদে বসিয়েছিলেন। আর শ্রেষ্ঠ ডাক্তারদের অন্তত ৪০ শতাংশকে পিজি থেকে সরানো হয়েছিল। ওই ভদ্রলোক, তাঁদের পিজি থেকে সরিয়ে এমন জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলেন যে তাঁদের কাছে পদত্যাগ করা ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না।”