
কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তৈরি ট্রাইবুনাল নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষ ভোট দিতে না পারলে ট্রাইবুনালের দরকার কী? প্রশ্ন তুললেন মমতা। তীব্র ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, বিবেচনাধীন তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে ২৭ লক্ষের বেশি মানুষের নাম। মানুষের সাংবিধানিক অধিকারকে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়াকে চৈত্র সেলের সঙ্গে তুলনা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
ফের একবার বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে একযোগে নিশানা করেছেন তৃণমূল নেত্রী। ফের একবার হুঁশিয়ারি দিয়েছন সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার। সাম্প্রতিক অতীত মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, “কোর্টে লড়াই করেছিলাম বলে ৩২ লক্ষ লোকের নাম উঠেছে। আগামীদিনে আবার লড়াই হবে। দরকার হলে আইনতভাবে প্রত্যেকের নাম তোলার ব্যাবস্থা করতে হবে। এটা সাংবিধানিক অধিকার।”
কমিশন-বিজেপির বিরুদ্ধে একযোগে সুর চড়িয়ে বলেন, ওদের পরিকল্পনা যেন চৈত্র সেল মানুষকে নিয়ে। যেমন সেলে ছাড় দেওয়া হয়। মানুষ ছাড় পেয়ে জিনিস কিনতে যায়। এখন এরা যেন দেশটা চৈত্র সেল করছে বিজেপির ভ্যানিশ ওয়াশিং কমিশন আর তার কিছু দালাল। এরপরই ট্রাইবুনাল নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, “মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে তাহলে ট্রাইবুনালের দরকারটা কী শুনি! কেন ট্রাইবুনাল তৈরি করেছিলেন? তারপর বলছেন ফ্রোজেন করে দিলাম। আবার আমরা চ্যালেঞ্জ করব। আমরা জানতে চাইব। জানার অধিকার আছে। মানুষের নাম তোলার অধিকার আছে।”
অন্যদিক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলছেন, “ওটা একটা প্রক্রিয়া। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট শেষ হিয়ারিংয়ে বলেছে যাঁদের নিষ্পত্তি হয়েছে তাঁদের নাম ফাইনাল ভোটার লিস্টে আসবে। বাকি যাদের নাম আসবে না বা যাঁরা মনে করছেন তাঁরা যোগ্য ছিলেন তাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করবেন। আর এবার ভোটাদানের সুযোগ পাচ্ছেন না মানে যে আগামী কোনওদিন পাবেন না এমনটা নয়। এটা আমার কথা নয় সুপ্রিম কোর্টের কথা।”