
কলকাতা: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র চাপানউতোর। শেষ পর্যন্ত মুখ খুললেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সাফ বললেন, “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা কমানোর যে কথা বলা হচ্ছে তা একেবারেই ঠিক নয়। জেড প্লাস নিরাপত্তা যা পেতেন। তাই পাচ্ছেন। সেখানে কোনও বদল হয়নি। নিরাপত্তা রক্ষীর সংখ্যা কমানো হয়নি।” এরপরই তাঁর সংযোজন, “প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষীও স্থায়ী নয়। আমার পিএসওরাও স্থায়ী নয়। বদল হয়। এ ক্ষেত্রে পছন্দের ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সরকারি কাজে সরকারি ব্যবস্থায় নিজের ইচ্ছামতো পছন্দের লোক পাওয়া যায় না।”
প্রসঙ্গত, ভোটে হারার পরেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের গার্ডরেল। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বাড়ির সামনে আগের মতো নিরাপত্তা বহাল ছিল। পুলিশের যে কিয়স্ক করা ছিল সেখানে থাকছিল পুলিশও। কিন্তু বুধবার সন্ধ্যার পর ছবিটা বদলাতেই তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। তৃণমূলের তরফে দু’জন বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তা রক্ষী রাখা নিয়েও নানা মহল নানা মত উঠে আসতে শুরু করে। রাজনৈতিক মহলেও শোনা যায় কত গুঞ্জন।
আগেই এ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন ডেরেক ও ব্রায়েন। জানা গিয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে গত প্রায় ২০ বছর ধরেই পার্সোনাল সিকিউরিটি অফিসার বা পিএসও হিসেবে কাজ করছিলেন তাঁদের অব্য়াহতি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন করে পিএসও-র দায়িত্ব দিয়ে যে চার থেকে পাঁচজনকে পাঠানো হয় তাঁদের রাখতে চাননি মমতা। ডেরেক সাফ বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় যখন সাংসদ ছিলেন, সেই সময় থেকে নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিলেন কয়েকজন পিএসও। তাঁদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এরপর যাঁদের পাঠানো হয় তাঁদের চেনন না মমতা।” সোশ্যাল মিডিয়ায় একটিও ভিডিয়োও পোস্ট করেন ডেরেক। যদিও একটি সূত্রের দাবি, ভিডিয়োতে ওই জায়গা ফাঁকা দেখালেও যাঁরা গিয়েছিলেন তাঁরা পুলিশেরই কর্মী, আধিকারিক। তাঁরাই নতুন দায়িত্ব নিয়েছেন। কিন্তু যাওয়ার পর তাঁদের দীর্ঘ সময় বাইরে অপেক্ষা করতে হয়। যদিও ভিডিওতে সেই অংশ নেই।