
কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) বলেছিলেন, ‘সকালে জমা, বিকেলে খরচ’। স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, নারী সুরক্ষায় কোনও আপোষ নয়। দোষীদের রেয়াত করা হবে না। আইন ভাঙলে কড়া শাস্তিও হবে। কড়া পদক্ষেপ হিসেবে এর আগে বারুইপুরে পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে গুলি করে পালানোর সময় এনকাউন্টার করা হয়েছিল অভিযুক্তকে। এবার গাইঘাটায় (Gaighata News) একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। আইনের ঊর্ধ্বে যে কেউ নয়, আইন অমান্য করলে কী হতে পারে, তা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন মন্ত্রী।
গাইঘাটার এনকাউন্টারের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “এর আগেও ঘটনা ঘটেছে। খুনি পালাচ্ছিল। এনকাউন্টার হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে। এখানেও হয়েছে। বিচারের সামনে সবাইকে আনতে হবে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। কেউ যদি আইন অমান্য করে, তাহলে তার সঙ্গে এরকমই হবে।”
দিলীপের কথায়, পুলিশের উপর মানুষ ভরসা রাখতে ভুলে গিয়েছেন। তাই, সেই ভরসা ফিরিয়ে আনতে হলে এমন কিছু কাজ করতে হয় পুলিশকে। মন্ত্রী বলেন, “পুলিশকে মানুষকে ন্যায় দিতে হবে। মানুষ তাঁদের উপর ভরসা রাখতে ভুলে গিয়েছে। ভরসা ফিরিয়ে আনতে গেলে পুলিশকে কিছু অপ্রিয় কাজ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “ভয় তো এত সহজে কেউ পায় না। কারণ আইন-কানুন ব্যবস্থা বহু বছর বাংলায় নেই। কিন্তু আইন-কানুনের রাজত্ব যদি প্রতিষ্ঠা হয়, তাহলে সবাই ভয় পাবে। সতর্ক হবে। দু’টো জিনিস করতে হবে। যেমন সমাজে সুবিচার আনা, পরিবেশ ঠিক করা। যাতে লোকে এই ধরনের কাজ না করে। আর করলে তার যে সাজা হবে, তা যেন উদাহরণ হিসেবে থাকে।” অর্থাৎ তাঁর মতে, সমাজে সুবিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে মানুষ অপরাধের পথে না যায়। আর কেউ অপরাধ করলে তার সাজা এমন হওয়া উচিত, যাতে তা অন্যদের কাছে উদাহরণ হয়ে থাকে।