TMC Fake Signature: ‘পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ছাড়া শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করবেন না’, স্পিকারকে বলেছিলেন ঋতব্রত-সন্দীপন
Ritabrata Banerjee-Sandipan Saha: চিঠির শুরুতে রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। বলা হয়েছে, ২০ মে অভিষেকের দেওয়া চিঠিতে সত্যতার অভাব রয়েছে। দুই বিধায়ক বলছেন, ১৯ মে-র বৈঠকে তাঁরা মিটিং রেজোলিউশন বুকে সই করেছিলেন। কিন্তু শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতার করার প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়ে কোথাও তাঁরা সই করেননি।

কলকাতা: শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে (Sovandeb Chattpadhyay) বিরোধী দলনেতা, ফিরহাদ হাকিমকে (Firhad Hakim) চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দিয়ে একটি রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছিল বিধানসভায়। সেই নথিতে একাধিক বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের তদন্ত করছে সিআইডি। বিধায়কদের অনুপস্থিতিতে কে সই করল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু তার থেকেও বড় বিষয় হল, সেই অভিযোগ স্পিকারের কাছে তুলে ধরেন দুই বিধায়ক সন্দীপন সাহা ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সদ্য তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত এই দুই বিধায়ক অভিযোগে ঠিক কী বলেছিলেন?
TV9 বাংলার হাতে যে নথি এসেছে, সেই চিঠির শুরুতে রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। বলা হয়েছে, ২০ মে অভিষেকের দেওয়া চিঠিতে সত্যতার অভাব রয়েছে। দুই বিধায়ক বলছেন, ১৯ মে-র বৈঠকে তাঁরা মিটিং রেজোলিউশন বুকে সই করেছিলেন। কিন্তু শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতার করার প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়ে কোথাও তাঁরা সই করেননি।
রেজোলিউশনে যে একাধিক বিধায়কের নাম ব্লক লেটারে লেখা আছে, সে কথাও স্পিকারকে জানান ঋতব্রত ও সন্দীপন। রেজোলিউশনে যে সব বিধায়কদের সম্মতি নেওয়া হয়নি, তেমনটাই দাবি করেন তাঁরা।
এই ঘটনায় চিঠির শেষে আইনি পদক্ষেপ করার অনুরোধ করেন ঋতব্রত ও সন্দীপন। চিঠিতে তাঁদের আর্জি ছিল, “পুলিশকে দিয়ে ওই রেজোলিউশন ভেরিফিকেশন করানো হোক। আইন অনুযায়ী তদন্ত করা হোক।” স্পিকারকে ওই দুই বিধায়ক বলেন, “আইন মেনে তদন্ত না করে শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়কে বিরোধী দলনেতা, নয়না বন্দ্য়োপাধ্য়ায় ও অসীমা পাত্রকে ডেপুটি লিডার, আর ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ স্টেটাস দেবেন না।”

