
কলকাতা: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাজিরা এড়ালেন সুজিত বসু ও রথীন ঘোষ। ভোট পরবর্তী হিংসা সামলাতে ব্যস্ত সুজিত। তাই হাজিরা দিতে পারবেন না, ইডি কে জানিয়েছেন সুজিত। রথিন ইডিকে জানিয়েছেন, বাথরুমে পড়ে গিয়ে যখম তিনি, তাই হাজিরা দিতে পারবেন না। এর আগেও হাজিরা এড়িয়েছিলেন রথীন-সুজিত।
সে সময়ে দুজনেই কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে জানিয়েছিলেন, ভোটের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন, ভোট মিটলে দেখা করবেন। ভোট মেটার পর বুধবার ছিল তৃণমূলের সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার দিন। কিন্তু দু’জনেই আলাদা ভাবে জানালেন, তাঁরা ইডি দফতরে যেতে পারছেন না।
ইডির একটি সূত্রে খবর, প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, শৌচাগারে পড়ে গিয়ে তিনি পায়ে চোট পেয়েছেন। অন্যদিকে, সুজিত বসু জানিয়েছেন, তিনি ভোট পরবর্তী হিংসা সামলাতে ব্যস্ত রয়েছেন। প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন পুরসভায় (বিশেষ করে দক্ষিণ দমদম এবং মধ্যমগ্রাম) কয়েক বছর আগে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, অযোগ্য প্রার্থীদের টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। এর আগে এই মামলায় ধৃত অয়ন শীল এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের জেরা করে ও তাঁদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া নথির ভিত্তিতে এই দুই হেভিওয়েট নেতার নাম উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে খবর। দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন উপ-পৌরপ্রধান হিসেবে থাকাকালীন ওই পুরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। এর আগে সিবিআই-ও তাঁকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন তাঁর সময়ে হওয়া নিয়োগের বিষয়ে তথ্য জানতেই ইডি তাঁকে তলব করেছে। ইতিপূর্বে তাঁর বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশিও চালিয়েছিল ইডি।