
কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের। এখনও পর্যন্ত পর্যন্ত তৃণমূলের ৯ জন প্রার্থীর নাম বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছে। তাঁদের বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের। এ বিষয়েই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে ইমেলে ৩ পাতার চিঠি লিখেছেন চন্দ্রিমা। চিঠির সঙ্গে কোথায় কাকে প্রার্থী করা হয়েছে তাঁদের এপিক নম্বর সহ পৃথক একটি তালিকাও দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো সেগুলো দ্রুত নিস্পত্তির আবেদন জানিয়ে কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি তৃণমূলের।
যদিও কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলছেন, তৃণমূলের কোনও কথার দাম বাংলার জনতার কাছে নেই। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ জানে দেড় দশক ধরে ওরা যেভাবে নিপীড়ন করেছে তাতে মানুষ আর এদের কোনও বিষয়ে আগ্রহী নয়। মানুষ তৃণমূলকে হারাতে চায়, বিজেপিকে আনতে চায়। যতই চিঠি লিখুন, পদ্য লিখুন, গদ্য লিখুন তাতে কিচ্ছু এসে যায় না। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বিসর্জন হবেই।
সূত্রের খবর, তালিকায় রয়েছে উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর, মালদহের মোথাবাড়ি, মুর্শিদাবাদের সমশেরগঞ্জ, লালগোলা, নওদা, হুগলির চণ্ডীতলা, উত্তরপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার তৃণমূল প্রার্থীর নাম। স্বভাবতই তা নিয়ে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অন্যদিকে অবশেষে ভোটার তালিকায় নাম উঠল কাজল শেখের। নাম উঠেছে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজারও। এবারে হাসানের তৃণমূল প্রার্থী কাজল। বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কাজল বলছেন, বিজেপি নাম বাদের চেষ্টা করলেও বিচার ব্যবস্থার প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা ছিল। তা থাকবে।