Holi: শঙ্করকে রং মাখালেন গৌতম, বাচ্চাদের পিচকিরি দিয়ে রং দিলেন কল্যাণ, গান গাইলেন শোভন
Holi 2026: এ দিন শিলিগুড়িতে চলছিল আবির খেলা। সেখানেই ছেলেকে নিয়ে এসেছিলেন শঙ্কর ঘোষ। গৌতমের পায়ে আবির দেন শঙ্কর। অপরদিকে, গৌতমও আবির মাখিয়ে দেন শঙ্করের গালে। আজ ধুয়ে মুছে রাজনীতির বিভেদ। সব রং এক হয়ে গেল। শুধু শঙ্কর একা নন, মেয়র শঙ্করের ছোট্ট ছেলেকেও আবিরে রাঙিয়ে দেন।

কলকাতা: একজন আদ্যপান্ত তৃণমূল, অন্যজন কট্টর বিজেপি। একজন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব অপরজন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সারা বছরই রাজনীতির দড়ি টানাটানি ও কচকচানি চলতেই থাকে। কিন্তু মঙ্গলবারটা আলাদা। সব বিভেদ ভুলে গেলেন দু’জন। একে অপরকে রাঙিয়ে দিলেন আবিরে।
এ দিন শিলিগুড়িতে চলছিল আবির খেলা। সেখানেই ছেলেকে নিয়ে এসেছিলেন শঙ্কর ঘোষ। গৌতমের পায়ে আবির দেন শঙ্কর। অপরদিকে, গৌতমও আবির মাখিয়ে দেন শঙ্করের গালে। আজ ধুয়ে মুছে রাজনীতির বিভেদ। সব রং এক হয়ে গেল। শুধু শঙ্কর একা নন, মেয়র শঙ্করের ছোট্ট ছেলেকেও আবিরে রাঙিয়ে দেন। শঙ্কর বলেন, “রাজনীতিবিদরা সমাজের অংশ। সমাজের চেহারাটাই রাজনীতিতে উঠুক ফুটে। তবে অনেক সময় আশাভঙ্গ হয়।
অপরদিকে, পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় হোলিতে মজে উঠলেন গান গেয়ে। তিনি বললেন, “ছোটবেলায় কাদা খেলতাম। এখন ফুলের রং খেলি।” একই সঙ্গে গাইলেন হৃদমাঝারে গান। আবার আসানসোলে রং খেলায় মেতে উঠলেন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। নাচলেন-গাইলেন আনন্দ করলেন। শেষে সংবাদ মাধ্যমকে বললেন, “দোলের চাইব বাংলায় শান্তি ফিরুক। চাকরি হবে, শিক্ষা হবে। তবে শান্তির পরিবেশ ফিরে আসুক। অন্যদিকে, পিচকিরি হাতে দেখা গেল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পথচলতি শিশুদের রঙে রাঙিয়ে দিলেন তিনি।
