Local Train: বালিগঞ্জ-বেলুড়-তারকেশ্বর, ২২৩ কোটি খরচে বাংলার এই সব রুটে লোকাল ট্রেনের জন্য বড় উদ্যোগ

Kavach at Local Trains: লোকাল ট্রেন হল নিত্যদিনের যাতায়াতের মাধ্যম। বসে-দাঁড়িয়ে, সিঁড়িতে বাদুড়ঝোলা হয়ে যাতায়াত করেন সাধারণ মানুষ। সেই লোকাল ট্রেনের সুরক্ষার ক্ষেত্রেই এবার আলাদা করে নজর দিল রেল। প্রতিদিন এই লোকাল ট্রেনের উপর ভরসা করেই কর্মস্থলে যান হাজার হাজার মানুষ। ভিড় উপেক্ষা করে যাতায়াত করেন তাঁরা।

Local Train: বালিগঞ্জ-বেলুড়-তারকেশ্বর, ২২৩ কোটি খরচে বাংলার এই সব রুটে লোকাল ট্রেনের জন্য বড় উদ্যোগ
Image Credit source: Getty Image

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Jan 16, 2026 | 10:07 AM

দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিটের চাহিদা কম নয় ঠিকই, তবে লোকাল ট্রেনের চাহিদার সঙ্গে তুলনা চলে না। সাধারণত ভ্রমণ করতে বা দূরের কর্মস্থলে যেতে দূরপাল্লার ট্রেনে চেপে থাকেন যাত্রীরা, কিন্তু লোকাল ট্রেন হল নিত্যদিনের যাতায়াতের মাধ্যম। বসে-দাঁড়িয়ে, সিঁড়িতে বাদুড়ঝোলা হয়ে যাতায়াত করেন সাধারণ মানুষ। সেই লোকাল ট্রেনের সুরক্ষার ক্ষেত্রেই এবার আলাদা করে নজর দিল রেল। লোকাল ট্রেনের জন্য এবার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে রেলের তরফে।

রেলের তরফে জানানো হল, ‘কবচ’ বসানো এবং কার্যকর করা হচ্ছে বাংলার একাধিক রুটে। পূর্ব রেল ডিভিশনের এই লোকাল ট্রেন রুটগুলি কবচ সিস্টেমের আওতায় চলে এলে নিরাপত্তা বাড়বে অনেকটাই। ফলে লোকাল ট্রেনের দুর্ঘটনা আটকানো সম্ভব হবে বলেই রেল মন্ত্রকের তরফে দাবি।

যে সব লোকাল ট্রেনের রুট এই কবচ প্রক্রিয়ার আওতায় আসছে…

হাওড়া-সাঁতরাগাছি

লিলুয়া-বেলুড় মঠ

তারকেশ্বর-গোঘাট

ময়নাপুর – বিষ্ণুপুর

রামপুরহাট-দুমকা

আজিমগঞ্জ-মুর্শিদাবাদ

কাঁকুড়গাছি-বালিগঞ্জ

কল্যাণী-কল্যাণী সীমান্ত

কৃষ্ণনগর জংশন-আমঘাটা

কৃষ্ণনগর সিটি-লালগোলা

মুর্শিদাবাদ-আজিমগঞ্জ

আসানসোল-বার্নপুর

বরাচক-হীরাপুর

বক্তারনগর-অন্ডাল

কী এই কবচ সিস্টেম?

রিসার্চ ডিজাইন অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশনের তৈরি কবচ সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে ট্রেনের সুরক্ষার জন্য। ২০১৪-১৫ সালে পাইলট প্রকল্প হিসাবে এই সুরক্ষা সিস্টেম চালু করা হয়েছিল। ট্রেনের ‘রিয়েল টাইম মুভমেন্ট’ ট্রাক করে কবচ সিস্টেম।

এই ব্যবস্থায় লেভেল ক্রসিংয়ে থাকবে অটো-হুইসলিং। যদি দুটি ট্রেন মুখোমুখি চলে আসে এবং লোকো পাইলট ব্রেক কষতে ব্যর্থ হন, তবে এই কবচ সিস্টেম আপনা-আপনিই ব্রেক কষবে। বিপদ বুঝলেই ইমার্জেন্সি এসওএস ফাংশন (SOS function)-র মাধ্যমে সতর্কবার্তাও পাঠানো যাবে।

Follow Us