Rare Earth-Purulia: পুরুলিয়ার কালাপাথরের গর্ভে মিলিয়ন মিলিয়ন টন বিরল খনিজ, যা জানাল কেন্দ্র
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার এখনও পর্যন্ত কালাপাথর-রঘুডিহ ব্লকের নিলামের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করেনি। ফলে বন্ধ হয়ে আছে গোটা নিলাম প্রক্রিয়া। মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ২০২৫-এর জানুয়ারিতে ন্যাশনাল ক্রিটিক্যাল মিনারেল মিশন শুরু করা হয়েছে।

পুরুলিয়া: বাংলায় মাটির নীচে রয়েছে বিরল খনিজ। উদ্ধার করা সম্ভব হলে বদলে যেতে পারে অর্থনীতি। এই খনিজেই এমন এক মৌল থাকে, যা মোবাইল থেকে ল্যাপটপ, যাবতীয় ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিকে চলা গাড়ি, যুদ্ধবিমান, নিউক্লিয়ার সাবমেরিন, সাধারণ বিমানের ইঞ্জিন বা জলবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী টারবাইনেও কাজে লাগে।
সম্প্রতি এই বিষয়ে সংসদে প্রশ্ন রেখেছিলেন বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। সেই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি জানিয়েছেন, জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার তরফে পুরুলিয়া ও দার্জিলিং-এ মোট ১৬টি এমন প্রজেক্ট করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ সিজনে পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় ১০টি প্রজেক্ট চলছে। ২০২০-২১ ফিল্ড সিজনে কালাপাথর-রঘুডিহিতে ০.৬৭ মিলিয়ন টন খনিজ পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে ০.১৯ শতাংশ রেয়ার আর্থ বা বিরল মৃত্তিকা খনিজ পাওয়া গিয়েছে।
তবে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার এখনও পর্যন্ত কালাপাথর-রঘুডিহ ব্লকের নিলামের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করেনি। ফলে বন্ধ হয়ে আছে গোটা নিলাম প্রক্রিয়া। মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ২০২৫-এর জানুয়ারিতে ন্যাশনাল ক্রিটিক্যাল মিনারেল মিশন শুরু করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রেয়ার আর্থ এলিমেন্ট অর্থাৎ বিরল মৃত্তিকা মৌল, বিশ্বে যার ৯০ শতাংশ ভাণ্ডার রয়েছে চিনে। মার্কিন মুলুকে যেটুকু ভাণ্ডার রয়েছে তা আমেরিকার চলে না। অত্যাধুনিক বিশ্বে এই খনিজ ছাড়া এতটুকু এগোনোর উপায় নেই। এর মধ্যে রয়েছে ১৭টি বিশেষ মৌল, যার মধ্যে ১৫টিকে একসঙ্গে ল্যান্থানাউস বলা হয়। এই মৌলের খোঁজ পৃথিবীকে রঙিন টিভি দেখার সুযোগ করে দিয়েছিল। আর এখন সবকিছুতেই এই মৌলের প্রয়োজনীয়তা আছে।
