AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Loknath Baba Temple in New Alipore: তিরোধান দিবসে অরূপ-স্বরূপের হাত থেকে ‘দখল’ মুক্ত লোকনাথ বাবার মন্দির

Suruchi Sangha in Kolkata: স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, মন্দির পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁদের আর কোনও ভূমিকাই রাখতে দেওয়া হতো না। সোজা কথায়, তা তাঁদের হস্তক্ষেপ বরদাস্তই করা হতো না। উল্টে নানা ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হতো।

Loknath Baba Temple in New Alipore: তিরোধান দিবসে অরূপ-স্বরূপের হাত থেকে ‘দখল’ মুক্ত লোকনাথ বাবার মন্দির
খুশি এলাকার বাসিন্দারা Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 03, 2026 | 8:32 PM
Share

কলকাতা: নিউ আলিপুরে ‘দখল’ মুক্ত লোকনাথ বাবার মন্দির। মন্দিরের গা থেকে সুরুচি সংঘের নাম মুছে দিলেন আলিপুরের এলাকার বাসিন্দারা। তা নিয়েই দিনভর চলল চাপানউতোর। চর্চা রাজনৈতিক আঙিনাতেও। ফের উঠে এল অরূপ বিশ্বাস-স্বরূপ বিশ্বাসদের নাম। নিউ আলিপুরের এন ব্লকের এই মন্দির প্রায় ২৭ বছরের পুরনো। কিন্তু এলাকার লোকজনের দাবি, ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর অরূপ বিশ্বাস, স্বরূপ বিশ্বাস এবং তাঁদের অনুগামীরা মন্দিরের দেওয়ালে সুরুচি সংঘের নাম লিখে দেন। তারপর থেকেই মন্দিরের নিয়ন্ত্রণ তাঁদের হাতে চলে যায়। সেই সময় তা নিয়ে এলাকায় বিতর্ক তৈরি হলেও তৎকালীন শাসকের ভয়ে মুখ খুলতে পারেননি কেউই। 

স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, মন্দির পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁদের আর কোনও ভূমিকাই রাখতে দেওয়া হতো না। সোজা কথায়, তা তাঁদের হস্তক্ষেপ বরদাস্তই করা হতো না। উল্টে নানা ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হতো। এদিকে লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবস উপলক্ষে এদিন নিউ আলিপুর এলাকার বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে মন্দিরটিকে ‘দখল’ মুক্ত করার উদ্যোগ নেন। সকলে মিলে একযোগে মন্দিরের গা থেকে মুছে দেন সুরুচি সংঘের নাম।

অন্যদিকে এদিনের এলাকার বাসিন্দাদের উদ্যোগে মন্দিরে যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল তাতে ব্যাপক জনসমাগমও দেখা যায়। মন্দির প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে জয় লোকনাথ বাবা, জয় শ্রীরামের মতো ধ্বনিতে। এলাকার বাসিন্দা পিংকী সাহা বলছেন, “এটা তো নিউ আলিপুর অধিবাসীবৃন্দের পুজো। কিন্তু ২০১১ সালের পর থেকে অরূপ বিশ্বাস-স্বরূপ বিশ্বাস এটাকে দখল করে ফেলেছিল। তারপর থেকেই এটা ভিআইপি-দের পুজো হয়ে গিয়েছিল। সাধারণ মানুষরাই দিনের শেষে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। আজ সেই দখল মুক্ত করা গিয়েছে। সাধারণ মানুষ শান্তিতে পুজো দিতে পারছে। আমরা ভীষণ খুশি।” 

Follow Us