
কলকাতা: ১৫ বছর পর বিরোধী আসনে বসছে তারা। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার নামও ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কিন্তু, বিধানসভায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি পাওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। বিরোধী দলনেতা হতে কোনও দলকে যে নির্দিষ্ট সংখ্যক আসন পেতে হয় বিধানসভায়, তার চেয়ে অনেক বেশিই আসন পেয়েছে তৃণমূল। তারপরও বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি পাওয়া নিয়ে কেন জটিলতা তৈরি হল? তা জানতেই আরটিআই করেছেন বালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব। একইসঙ্গে বর্তমান শাসকদলকে আক্রমণও করলেন তিনি।
গত ৪ মে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে ফল বেরিয়েছে। ৮০টি আসন পেয়েছে ঘাসফুল শিবির। ফল প্রকাশের কয়েকদিন পর তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, শোভনদেবকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা করা হচ্ছে। এরপর তৃণমূলের তরফে চিঠি দিয়ে বিধানসভার সচিবালয়কে জানিয়ে দেওয়া হয়, তৃণমূলের হয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে দায়িত্ব সামলাবেন।
এখন কী বলছেন শোভনদেব?
বালিগঞ্জের বর্ষীয়ান বিধায়ক অভিযোগ করছেন, তাঁকে এখনও বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেয়নি বিধানসভা। কারণ হিসেবে তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের সই করা দলের রেজুলেশন চাইছেন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি , চিঠি দেওয়ার পর রেগুলেশন দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। সেটা দলের পার্সোনাল প্রপার্টি। এই রেজুলেশন জমা না দেওয়াতেই বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি এখনও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের।
এখনও বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি না পেয়ে শোভনদেব আরটিআই করে জানতে চেয়েছেন, এর আগের তিনবার বিরোধী দলনেতা কীভাবে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন? স্পিকারকেও চিঠি দিতে চলেছেন তিনি। বর্তমান শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “আরটিআই করে আমি জানতে চেয়েছি, ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে কীসের ভিত্তিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন।”