
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ২১ মে ফলতা বিধানসভায় নির্বাচন। ২৪ মে ফলপ্রকাশ। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার প্রচারে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সেখানে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন শমীক। তাঁর কটাক্ষ, ৪ তারিখ বেলা বারোটার পর যিনি ডিজে বাজাবেন বলেছিলেন, এখন তিনি বাড়িতে বসে বসে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন। পুলিশ পাশে নেই, তৃণমূলের নেতাও নেই। নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিলেন শমীক।
শমীক বলেন, “আমি যে সরকার দেখেছি, সেখানে নেতা-মন্ত্রী পুলিশ প্রশাসন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল। তারা সবাই মিলে ডিজে বাজাচ্ছিল। আর তাদের যিনি উত্তারাধীকারী, তিনি নিমন্ত্রণ করেছিলেন অমিত শাহকে। তিনি বলেছিলেন, আসুন বারোটার সময়ে, ৪ তারিখ বেলা বারোটায় রবীন্দ্র সঙ্গীতও বাজবে, সঙ্গে ডিজেও চলবে। এখন তাঁর অবস্থা কী! জনরোষে আক্রান্ত। পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কার নেই।”
অভিষেকের নাম না করেই খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা তো আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি, তুমি এসো। হে বীর তুমি এসো, তোমার আসন পূর্ণ করো। আমরা তোমাকে মিস করছি, মিস…।”
একই সঙ্গে শমীক খোঁচা দেন, “একেনবাবুর মাথায় চুল গজাতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ফিরবে না।” উল্লেখ্য, এক্ষেত্রে আগেই তিনি অনুপম খেরের কথাও বলেছিলেন। তাতে উত্তরও দিয়েছিলেন বিশিষ্ট অভিনেতা। প্রত্যুত্তরে তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর মাথায় আর চুল উঠবে না। অর্থাৎ সেক্ষেত্রে বিশ্লেষকদের খোঁচা, তৃণমূলেরও ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বামেদের উদ্দেশে বলেছিলেন, আপাতত ১০ বছর তারা যেন বিরোধী আসনে লিকোপ্লাস্ট লাগিয়ে বসেন। সেই বামেরা ক্ষমতায় ফেরেনি। ক্ষমতায় নেই তৃণমূলও! শমীকের কথায় এবার একেনবাবুর মাথায় চুল গজানোর ওপরেই নির্ভর করছে তৃণমূল আর ফিরবে কিনা!