Annapurna Yojana Form: মা-মেয়ে কিংবা শাশুড়ি-বউমা-ননদ সবার জন্য ১টাই অন্নপূর্ণা ফর্ম? নতুন আপডেট দিল সরকার
Annapurna Yojana in West Bengal: এদিন উত্তরকন্য়ায় সাংবাদিক বৈঠক করেন অগ্নিমিত্রা। সেখানেই তিনি অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম যাতে কম না পড়ে সে বিষয়ে সতর্ক করেন। স্পষ্ট বলেন, “অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম যাতে কম না হয় সেটা সরকার দেখছে। এক একটা পরিবারে একটাই ফর্ম যাবে।”

কলকাতা: ৯০ দিন করা যাবে ফর্ম ফিলাপ। গোটা রাজ্যেই পুরোদমে চলছে চলছে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলাপ। অফলাইন, অনলাইন দুই পর্যায়েই চলছে কাজ। ইতিমধ্যেই লক্ষ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩ হাজার টাকা ঢুকতেও শুরু করেছে। ৩ জুনের পরিসংখ্যান বলছে সেদিন পর্যন্ত ২৮ লক্ষের বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে। এরইমধ্যে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম নিয়ে বড় আপডেট দিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
একটা বাড়িতে একটাই ফর্ম?
এদিন উত্তরকন্য়ায় সাংবাদিক বৈঠক করেন অগ্নিমিত্রা। সেখানেই তিনি অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম যাতে কম না পড়ে সে বিষয়ে সতর্ক করেন। স্পষ্ট বলেন, “অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম যাতে কম না হয় সেটা সরকার দেখছে। এক একটা পরিবারে একটাই ফর্ম যাবে।” এরপরেই তাঁর সংযোজন, “প্রত্যেক মহিলাকে আলাদা ফর্ম নিতে হবে না। কারণ ওই ফর্মের মধ্যে একাধিক অ্যাকাউন্ট দেওয়ার জায়গা রয়েছে। একটা পরিবারের বিভিন্ন মহিলা যেমন শাশুড়ি, বউমা, মেয়ে, ননদ সবাই ওই একটা ফর্মে ফিলাপ করলেই হবে। চারটি আলাদা আলাদা ফর্ম নেওয়ার দরকার নেই।”
সব তথ্য না থাকলে কী করবেন?
এদিকে শুরু থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার ১২ পাতার ফর্ম নিয়ে জোরদার চর্চা চলেছে। কেন এত তথ্য সরকারের তরফে চাওয়া হয়েছে তা নিয়েও চাপানউতোর হয়েছে। যদিও এরইমধ্যে তা নিয়েও আগে আশ্বস্ত করতে দেখা গিয়েছিল অগ্নিমিত্রাকে। স্পষ্ট বলেছিলেন, “১২ পাতার ফর্ম সব ডেটার জন্য। ফর্ম ফিল-আপ না করতে পারলে যে আপনি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না, তা কিন্তু নয়। কারণ আগামীদিনে আমরা এরকম আরও প্রকল্প নিয়ে আসছি, সেই জন্য এই ডেটা দরকার।” কিন্তু ফর্মে তো অনেক তথ্য রয়েছে। কারও কাছে সেই তথ্য যদি না থাকে তাহলে তিনি কী করবেন? অগ্নিমিত্রা বলছেন, “যতটা সম্ভব ফিল-আপ করুন, না পারলে লিখে দিন নট অ্যাপ্লিকেবল। বাকিটা আমরা দেখে নেব।”
প্রসঙ্গত, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যে যত ভুয়ো নাম ছিল সরকারের তরফে সেগুলি বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুরোদমে অ্য়াকাউন্টের অডিটও যে শুরু হয়ে গিয়েছে তাও জানিয়েছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল। তিনিও স্পষ্ট জানান, বাড়ি বাড়ি গিয়ে যেমন ফর্ম ফিলাপে সাহায্য করা হচ্ছে তেমনই সমস্ত ডেটা ভেরিফাই করার পরেই মিলবে টাকা।
