
কলকাতা: পুজোর শুরুতেই অঘটন ঘটে গিয়েছে। সপ্তমীর রাতেই শহরে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন। এবার সপ্তমী তিথি চলছে দুদিন ধরে, তাই এখনও পুজোর চারদিন বাকি। বাকি দিনগুলোতে উদ্যোক্তারা কী করবেন, তথাকথিত বড় পুজোর মণ্ডপগুলি সাধারণ মানুষের জন্য খোলা রাখা হবে কি না, তা বুঝতে পারছেন না অনেকেই। ইতিমধ্যেই পুলিশের বিশেষ টিম পরপর মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। এবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো নিয়ে মুখ খুললেন সজল ঘোষ।
শনিবার রাতে চোরবাগানে ১৯ জনের মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ ভিডিয়োতে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোর উদ্যোক্তা সজল ঘোষ আবেদন জানান, দর্শনার্থীরা যাতে বাড়ি ফিরে যান। রবিবার সকালেই মর্গের সামনে পৌঁছে যান তিনি।
শুরুতেই সজল ঘোষ বলেন, “এরকম পুজো যেন আর জীবনে না দেখতে হয়। কার গাফিলতিতে দুর্ঘটনা, সেটা সরকার খুঁজবে।” সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো সম্পর্কে সজল জানান, শনিবার ওই ঘটনার পরও দরজা বন্ধ করতে পারছিলেন না তাঁরা। ঘোষণা করা সত্ত্বেও পারা যাচ্ছিল না। পরে মাইক বন্ধ করলেও দর্শনার্থীরা ঝামেলা শুরু করেন বলে জানান সজল। তবে আজ কি খোলা থাকবে মণ্ডপ? সজল বলেন, ”
আজ খুলব কি না জানিনা। সেই মানসিকতাই নেই।”
এদিকে, চোরবাগানের ঘটনার পর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের লাইট অ্যান্ড সাউন্ড বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশের স্পেশাল টিম। পুজো উদ্যোক্তারা অনুরোধ করেন একেবারে বন্ধ না করে যদি সময় কিছুটা কমানো যায়। সেই অনুরোধ আপাতত মেনে নিয়েছে স্পেশাল টিম। তবে সমস্যা হলে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো বন্ধ করে দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোতেও এবার প্রবল ভিড়। ‘বন্দেমাতরম’ থিমের পুজো দেখতে গত কয়েকদিনে ভিড় করেছেন বহু মানুষ।