
কলকাতা: বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ ‘যথাযথভাবে’ খতিয়ে দেখতে নবান্নকে জানিয়েছিল অমিত শাহর মন্ত্রক। এবার রাজ্য সরকার এই নিয়ে ডিজিপিকে চিঠি লিখল। ডিজিপিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। তার কপি তাঁকেও পাঠানো হয়েছে। বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে একথা জানালেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঋতব্রতকে নিশানাও করলেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখলেন কুণাল ঘোষ?
ঋতব্রতর বিরুদ্ধে বালুরঘাটের মহিলার অভিযোগ ও মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি লিখেছিলেন কুণাল। আর এদিন রাজ্য সরকারের তরফে ডিজিপিকে চিঠি পাঠানোর কথা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল লেখেন, ‘অভিযোগকারিণীর বক্তব্য নিয়ে পুলিশ প্রধানকে ‘intervention and taking necessary action’ -এর জন্য লিখিত চিঠি দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আমি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছিলাম। ছবি ও তথ্য দিয়ে। তিনি রাজ্য সরকারকে পাঠান। আমি মুখ্যসচিবকে তার কপি দিয়ে লিখি পুলিশকে বলা হোক কেস ফাইল খুলতে এবং জানাতে। এরপর রাজ্য সরকার ডিজিকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বলে চিঠি দিল। আমাকে কপি দেওয়া হয়েছে।”
এবার তিনি ডিজিপিকে চিঠি লিখবেন জানিয়ে কুণাল জানান, ‘আমি এবার ডিজিকে চিঠি দিচ্ছি। তদন্ত কোথায় আছে, কেন আটকে, মেয়েটি জীবিত না মৃত, গোটা তদন্তের খুঁটিনাটি রাজ্য জানাক। একবার সিপিএম থেকে তৃণমূলে এসে বাঁচা, একবার বিজেপির বকলস পরে বাঁচা, এটা সবাই বুঝে গেছে। ডিজিকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে চিঠি তাৎপর্যপূর্ণ। আশা করি ডিজি ফাইলটি ঠিকঠাকভাবে খুলবেন।’
শেষে তিনি বলেন, ‘চিঠিতে কেন ‘ব’ লেখা আমি বলতে পারব না। আমি স্পিড পোস্টে চিঠি পেয়েছি। সব রাখা আছে। চিঠি ঠিক হলে ঠিক। ভুল হলে দফতর বিবৃতি দিক। এবং সচেতন থাকুক ওদের নাম করে কে বা কারা ভুয়ো চিঠি দিচ্ছে। আমি খামটাম দিয়ে তদন্তে সাহায্য করব।’
কুণালের এই পোস্ট নিয়ে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা আখরুজ্জামান পাল্টা তোপ দাগলেন। তিনি বলেন, “ঋতব্রত তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি হলেন। তখন কেন বলেননি? যেদিন উনি বিরোধী দলনেতা হলেন, সেদিন থেকে কুণালবাবু বলছেন। প্রতিহিংসা পরায়ণ কাজ করছেন কুণাল।”