Swaroop Biswas: ‘মেয়ে সাপ্লাই’ নয়তো ‘বেড পার্টনার’! স্বরূপের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?
Complaint Against Swaroop Biswas: অভিযোগকারী টেকনিশিয়ান স্টুডিওর কর্মী। দীর্ঘদিন ধরে কাজ পাচ্ছিলেন না। সেক্ষেত্রে তিনি স্বরূপের এক ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে গত ২৯ মার্চ একটি চিঠি করেছিলেন স্বরূপ বিশ্বাসের কাছে। অভিযোগকারিনীর দাবি, ২৯ মার্চ চিঠি যাওয়ার পর ৩ রাতে একটা ফোন আসে তাঁর কাছে।

কলকাতা: যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন স্বরূপ বিশ্বাস। আরও একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তোলাবাজি, অস্ত্র আইনের ধারাতেও মামলা রয়েছে। রিজেন্ট পার্কের এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয়েছেন স্বরূপ বিশ্বাস। জানা যাচ্ছে, এপ্রিল মাসের ৪ তারিখের একটি ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই অভিযোগ। যদিও সে সময়ে নিগৃহীতার অভিযোগ নেয়নি পুলিশ। অভিযোগ গৃহীত হয় বৃহস্পতিবার। আর তার ভিত্তিতেই গ্রেফতার।
ঠিক কী ঘটেছিল ৪ তারিখ?
অভিযোগকারী টেকনিশিয়ান স্টুডিওর কর্মী। দীর্ঘদিন ধরে কাজ পাচ্ছিলেন না। সেক্ষেত্রে তিনি স্বরূপের এক ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে গত ২৯ মার্চ একটি চিঠি করেছিলেন স্বরূপ বিশ্বাসের কাছে। অভিযোগকারিনীর দাবি, ২৯ মার্চ চিঠি যাওয়ার পর ৩ রাতে একটা ফোন আসে তাঁর কাছে। অন্য এক জন পরিচিত তাঁকে ফোন করে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চান। নিগৃহীতার বক্তব্য, “আমাকে স্বরূপেরই ঘনিষ্ঠ বাপি বলেছিল কাজ পেতে গেলে প্রিয় মানুষ হতে হয়। আমি সেটাই জানিয়ে স্বরূপ বিশ্বাসকে চিঠি লিখেছিলাম। ৪ এপ্রিল যাকে পাঠিয়েছিল থ্রেট দিতে, উনি এসে বলেছিলেন স্বরূপ বিশ্বাস ও বাপি মালাকার আমাকে জানে মেরে দেবে, দেখানো হবে আত্মঘাতী হয়েছি। বলা হয়েছিল, তুমি স্বরূপ বিশ্বাসের বেড পার্টনার হও। মেয়ে সাপ্লাই করে কাজ করো।”
তিনি বলেন, সে সময়েই গল্ফগ্রিন থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ নেওয়া হয়নি সে সময়ে। সেসময়ে তিনি ২-৩ দিন পালিয়ে বেরিয়েছিলেন। গত বৃহস্পতিবার আবার তিনি অভিযোগ করেন। স্বরূপের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ২০২৩-এর ৭৫(১) (ii), ৩০৮(৪), ৩০৮(৫), ১০৯, ৩৫১(৩), ৬১ ধারার সঙ্গে অস্ত্র আইনের ২৫/২৭ ধারা যুক্ত করে মামলা রুজু করা হয়েছে।
রুদ্রনীল বলেন, “টেকনিশিয়ান থেকে শুরু করে প্রত্যেককেই খুব অদ্ভুতরকমভাবে ব্যবহার করতেন, তাঁরা যদি তাঁর ইচ্ছা মতো ব্যবহৃত না হতেন, তাহলে তাঁদের কাজ কেড়ে নেওয়া হত। তিনি টেকনিশিয়ান হোন, কিংবা শিল্পী-প্রযোজক হোন!”
