
কলকাতা: রাজ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ করা হবে। বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেই জানিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। আর সেই লক্ষ্যেই যে কমিশন এগিয়ে চলেছে, সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে সেকথা স্পষ্ট করলেন কলকাতা দক্ষিণের ডিইও রণধীর কুমার। কলকাতা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্তাদের পাশে নিয়ে তিনি জানালেন, কলকাতা দক্ষিণের অন্তর্গত বিধানসভাগুলিতে অবাধ নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর তাঁরা।
এদিন সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই কলকাতা দক্ষিণের ডিইও রণধীর কুমার বলেন, এর আগেও সাধারণ মানুষকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, কোনও ছাপ্পা, কোনও হুমকি ইত্যাদি হবে না। ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট হবে। সেই লক্ষ্যেই নানা পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। কলকাতা দক্ষিণের অন্তর্গত চারটি বিধানসভা রয়েছে। বালিগঞ্জ, কলকাতা বন্দর, রাসবিহারী এবং ভবানীপুর। প্রত্যেকটি বিধানসভা কেন্দ্রকেই সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান। সব জায়গার ভোটারদের সমান গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন।
এদিন কলকাতা দক্ষিণের ডিইও আরও জানান, কলকাতা দক্ষিণে ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। এখনও পর্যন্ত কলকাতা দক্ষিণ এলাকা থেকে ৮ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে তিনি জানান।
ভোটগণনার দিন কোনও ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ চলে গেলে কী হবে? এদিন সেই প্রশ্নেরও মুখোমুখি হতে হয় কলকাতা দক্ষিণের ডিইও-কে। রণধীর কুমার বলেন, “CESC থেকে আমাদের কানেকশন নেওয়া হয়েছে। লোডশেডিং যাতে না হয়, তা আগে থেকেই দেখা হয়েছে। এছাড়াও পাওয়ার ব্যাক আপ থাকছে। গণনাকেন্দ্রগুলিতে বিদ্যুতের ব্যাক আপ থাকে। জেনারেটর থাকবে। বিদ্যুৎ চলে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেটর চালু হবে।” লোডশেডিং হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ডিইও আরও জানান, কলকাতা দক্ষিণে দুটি আবাসনে বুথ হচ্ছে। কলকাতা দক্ষিণ থেকে অফলাইনে ২৮৭৫টি আবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে, ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডের ঘটনায় অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু কেন এখনও অধরা, এদিন সেই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় কলকাতা পুলিশ। তাতে কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়, সোনা পাপ্পুকে ধরার চেষ্টা চলছে।