
কলকাতা: স্ট্রংরুম সংঘাতের মধ্যে শনিবার বিকালে আলাদা করে বৈঠক করতে দেখা গিয়েছিল মমতা-অভিষেককে। বৈঠক হয় কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গেও। দেওয়া হয়েছে একগুচ্ছ নির্দেশ। তৃণমূল সুপ্রিমোর সাফ কথা, গণনা শেষের আগে কোনওভাবেই গণনা কেন্দ্র ছাড়া যাবে না। যত রাতই হোক, উপর থেকে নির্দেশ আসার পরেই বেরোনো যাবে কাউন্টিং থেকে। একগুচ্ছ নির্দেশ এসেছে অভিষেকের কাছ থেকেও। এবার কাউন্টিংয়ের জন্য এবার গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল তৃণমূল কংগ্রেস।
সূত্রের খবর, উত্তর ২৪ পরগনার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সৌগত রায়, পার্থ ভৌমিক। আলাদা করে দমদম ও ব্যারাকপুরের দায়িত্বে রাজীব কুমার। বারাসতের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রথীন ঘোষকে। কলকাতা উত্তরের দায়িত্বে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিবেক গুপ্ত, কুণাল ঘোষ, স্বপন সমাদ্দার। দক্ষিণ কলকাতার দায়িত্বে অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম। পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্বে সায়নী ঘোষ, ঋজু দত্ত। পশ্চিম মেদিনীপুরের দায়িত্বে জুন মালিয়া, দেব। হুগলিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়। হাওড়ায় পুলক রায়, অরূপ রায়, কৈলাস মিশ্র। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির দায়িত্বে সামিরুল ইসলাম। দক্ষিণ দিনাজপুরে জয়প্রকাশ মজুমদার, মালদহে দোলা সেন।
এদিকে আগে ঠিক ছিল গোটা রাজ্যে ৮৭টি গণনা কেন্দ্রে হবে কাউন্টিং। কিন্তু সম্প্রতি সেই সংখ্যা আরও কমিয়ে এনেছে নির্বাচন কমিশন। কাউন্টিং চলবে ৭৭টি গণনা কেন্দ্রে। সূত্রের খবর, কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫টি ছোট গণনাকেন্দ্রকে একটি বড় কেন্দ্রের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আবার একটি কেন্দ্রেই ১০টি বিধানসভা আসনের গণনা চলবে। সব গণনা কেন্দ্রেই থাকছে স্ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। মাঠে নেমে পড়েছে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী। আগে নির্ধারিত ২০০ কোম্পানি বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। আগে সিআরপিএফ ছিল ১০০ কোম্পানি, বিএসএফ-২০ কোম্পানি, আইটিবিপি-১৫ কোম্পানি এবং এসএসবি-১৫ কোম্পানি বাহিনী।