Suvendu in Bhowanipore: ভবানীপুরে প্রচারের সময় বেজে উঠল ‘যতই করো হামলা আবার জিতবে বাংলা’, পুলিশকে ধমকে শুভেন্দু বললেন, ‘এখনও মমতার কথা শুনছেন?’

পাল্টা বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ বলেন, "আরে ভোটের পর নির্বাচন কমিশনটাই বদলে যাবে। একটি ট্যাঙ্ক আর রাফালটাও তো ঘুরিয়ে দিতে পারে। সব শুদ্ধু বান্ডিল করে হারাব। ডেলি প্যাসেনঞ্জারি তো? ৪ তারিখ রিটার্ন টিকিট কাটব।"

Suvendu in Bhowanipore: ভবানীপুরে প্রচারের সময় বেজে উঠল যতই করো হামলা আবার জিতবে বাংলা, পুলিশকে ধমকে শুভেন্দু বললেন, এখনও মমতার কথা শুনছেন?
শুভেন্দু অধিকারীImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Apr 26, 2026 | 12:01 PM

কলকাতা: দিনটা ছিল শনিবার বিকেল। ভাবানীপুরে প্রচারে গিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হেঁটে হেঁটে জনসংযোগ সারছিলেন। তার মধ্যেই বিপত্তি। মাইকে বাজতে শুরু করল তৃণমূলের নির্বাচনী গান, ‘যতই করো হামলা আবার জিতবে বাংলা…’ অনুমতি নেওয়া কর্মসূচি জুড়ে কেন বাজবে তৃণমূলের গান?কালীঘাট ও ভবানীপুর থানায় পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ শুভেন্দুর।

নন্দীগ্রামের ভোট হয়ে গিয়েছে। বাকি ভবানীপুর। এবার সেখানে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। জোর কদমে চলছিল শেষ দফার প্রচার। বিজেপি প্রার্থী হাত নাড়তে নাড়তে জনসংযোগ করছিলেন। পদযাত্রা ছিল তাঁর। সেই সময় মাইকে বেজে উঠল তৃণমূলের নির্বাচনী গান।

এরপরই কালীঘাট ও ভবানীপুর থানায় পুলিশের উপর ক্ষোভ উগরে দেন। পুলিশের উদ্দেশে ক্ষুব্ধ শুভেন্দু বলেন, “এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে কথা বলছেন? প্রচারে আপনারা মমতার বাড়ির দিকে যেতে দেননি। আপনি যেমন যেমন বলেছেন আমি মেনে চলেছি। কিন্তু মাইকটা বাজছে কেন? আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করব।” পরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি প্রার্থী বলেন, “মমতার বাড়ির দিকে প্রচারে যেতে দেয়নি। আমি মেনে নিয়েছি। কিন্তু আমি ছাড়ব না। কিন্তু গোটা রাস্তায় মাইক। তৃণমূল একটা ইতর..নর্দমার জল। পুলিশ কিছু করেনি। মমতাকে এই ভাবে জেতানো যাবে না। হারাব..হারাব…হারাব…।”

বস্তুত, কমিশন ইতিমধ্যেই কালীঘাট ও আলিপুর থানার ওসি বদলে দিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, বিজেপির কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি। বদলে দেওয়া হয়েছে ওসি। তিনি বলেন, “আমি দেখছি তৃণমূল ভবানীপুরে হেরে গেছে তা বোঝা যাচ্ছে। আমাদের ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে একটি জনসংযোগ কর্মসূচি ছিল।ভবানীপুর থানার অংশে অনুমতি দিয়েছে, কালীঘাটের অংশে অনুমতি দেয়নি। তারপরই কালীঘাটের ওসিকে কমিশন হটিয়ে দিয়েছে। মাইকে গান বাজিয়েছিল..যতই করো হামলা, জিতবে বাংলার। এরা কে হরিদাস পাল?

পাল্টা বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ বলেন, “আরে ভোটের পর নির্বাচন কমিশনটাই বদলে যাবে। একটি ট্যাঙ্ক আর রাফালটাও তো ঘুরিয়ে দিতে পারে। সব শুদ্ধু বান্ডিল করে হারাব। ডেলি প্যাসেনঞ্জারি তো? ৪ তারিখ রিটার্ন টিকিট কাটব।

Follow Us