AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC Infight: ‘কালীঘাটে’ পরপর ফোন, ঋতব্রত-শিবির ছেড়ে দিদির কাছে ফিরতে চাইছেন তৃণমূল MLA-রা!

TMC-Mamata Banerjee: সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফিরতে চাইছেন একাধিক বিধায়ক। বুধবারই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ৬০ জন বিধায়ক বিরোধী দলের তকমা পেয়েছে। তারপরই একাধিক ফোন যাচ্ছে মমতা-শিবিরে!

TMC Infight: 'কালীঘাটে' পরপর ফোন, ঋতব্রত-শিবির ছেড়ে দিদির কাছে ফিরতে চাইছেন তৃণমূল MLA-রা!
Image Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Jun 04, 2026 | 4:29 PM
Share

কলকাতা: ‘শুধু যাওয়া-আসা, শুধু স্রোতে ভাসা’! বাংলার রাজনীতির পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গেলে এমন পংক্তির কথাই মাথায় আসে। বুধবার ৫৮ জন বিধায়ককে নিয়ে বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠক করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। এবার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নয়া মোড়! কয়েকজন বিধায়কের মুখ থেকে যা শোনা যাচ্ছে, তাতে খেলা ঘুরে যেতে পারে আবারও।

সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফিরতে চাইছেন একাধিক বিধায়ক। বুধবারই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ৬০ জন বিধায়ক বিরোধী দলের তকমা পেয়েছে। তারপরই একাধিক ফোন যাচ্ছে মমতা-শিবিরে!

ঠিক কী বলেছেন বিধায়ক?

ইটাহারের তৃণমূল বিধায়ক মোশারফ হোসেনের দাবি, বিধানসভায় তৃণমূলের নতুন ব্লক ছেড়ে অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ফিরতে চাইছেন। কালীঘাট নেতৃত্বের অধীনে থাকা নেতা বা বিধায়কদের কাছে পরপর অনেকে ফোন এসেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

মোশারফের দাবি, সই করলেও অনেকেই ফোন করছেন। তাঁরা বলছেন, নেত্রীকে অনুরোধ করে ফিরে যাব। নেত্রী রাস্তায় নামলে সবাই যোগ দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে, গত মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরনায় বসলেও সেখানে মেরেকেটে ১০-এর বেশি বিধায়ককে দেখা যায়নি।

মোশারফের কথায়, যাঁরা ফিরে যেতে চান, তাঁরা একথাও বলছেন যে মমতাদি নতুন করে দল গড়ুন, অভিষেকের নেতৃত্ব তাঁরা মানবেন না। বিধায়ক বলছেন, “এখনও অনেকে বলছেন, দিদির কাছে ফিরে আসব। দিদির নেতৃত্বে লড়াই হবে। এমনকী নতুন করে দল গড়তে গেলে, অনেকেই সমর্থন করবে না বলে দাবি করেছে।”

একই দাবি করেছেন আর এক বিধায়ক কুণাল ঘোষ। শুরু থেকেই কালীঘাট শিবিরের নেতৃত্ব মেনে চলছেন তিনি। কুণাল বলেন, “আমার সঙ্গে চারজনের কথা হয়েছে। সবিস্তার কথা হয়েছে তাঁদের সঙ্গে। একাধিক বিধায়ক বলছেন, তাঁদের ভুল বোঝানো হয়েছে। অনেকে মামলা থেকে মুক্তি পেতে সই করেছেন। তাঁরা মনেপ্রাণে শোভনদেবকে চান। তাঁরা বলছেন, এত বড় বেইমানি করতে পারব না।”

এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে, সজল ঘোষ বলেন, “এটা তো হওয়ারই ছিল। একবার আসছে। একবার যাচ্ছে। শেষ হওয়ার আগে এসব হবে।”

Follow Us