Abhishek Banerjee: দিল্লির কাছে মাথা নত করার আগে আমাদের মৃত্যু ভাল: অভিষেক
তিনি বলেন, "যাঁদের মাথার উপর ২-৩টে করে ইডি-সিবিআই কেস ঝুলছে..তাঁরা দুর্নীতি নিয়ে বড় বড় ভাষণ দিচ্ছে। যাঁরা তৃণমূলকে চোর বলে, বাংলায় স্বাধীনতার পর প্রফুল্ল ঘোষ, সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়, জ্যোতিবাবু, বুদ্ধবাবু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে দুকান কাটার মতো টিভিতে হাত বের করে টাকা নিতে দেখা যায়নি।

কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শান্তিনিকতন’ নামের বাড়িতে যখন হাজির হয়েছিলেন সিআইডি (CID)। সেই সময় তৃণমূল ‘সেনাপতি’ রয়েছেন তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে (Kalighat House)। বিগত সাত বছর ধরে তিনি সেখানেই থাকেন, এমনটাই বলেছেন তৃণমূলের নম্বর ২। এরপর সাংবাদিকদের মাধ্যমে সিআইডিকে (CID) বার্তা পাঠান যে তিনি কালীঘাটের বাড়িতে রয়েছেন। পরবর্তীতে রাজ্যে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ আসে কালীঘাটে। সেখানে অভিষেককে নোটিস ধরায় তারা। সিআ্ইডডি (CID) বেরিয়ে যেতেই ফের সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।
কী বললেন ডায়মন্ড-হারবারের তৃণমূল সাংসদ?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওরা জানে না আমি কোথায় থাকি। সাত বছর ধরে কোথায় থাকি তথ্য নেই। ওদের নোটিস রিসিভ করেছি যেহেতু অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছেন…। আমি আইনজীবী সহযোগিতা নেব। আমি এখনও নোটিস পড়িনি। পড়ব।” সবটাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে জানিয়েছেন অভিষেক। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক স্বার্থ ও ক্ষমতার অপব্যবহার। আমি আমার কর্মসূচি করব।”
তিনি বলেন, “বিকেলে সোনারপুরে যাওয়ার কথা। ওইখানে একটা ঝামেলা করার চেষ্টা করেছে। আহত পরিবারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। পুলিশ নীরব দর্শক। লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরব না। পুরসভার নোটিসের রিপ্লাই দিয়েছি। কেসও ফাইল করেছি।”
তিনি বলেন, “যাঁদের মাথার উপর ২-৩টে করে ইডি-সিবিআই কেস ঝুলছে..তাঁরা দুর্নীতি নিয়ে বড় বড় ভাষণ দিচ্ছে। যাঁরা তৃণমূলকে চোর বলে, বাংলায় স্বাধীনতার পর প্রফুল্ল ঘোষ, সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়, জ্যোতিবাবু, বুদ্ধবাবু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে দুকান কাটার মতো টিভিতে হাত বের করে টাকা নিতে দেখা যায়নি। এখন বাংলার যিনি মুখ্যমন্ত্রীকে ঘুষ নিতে দেখা গেছে। এরা আমাদের চোর বলে। মানুষ বোকা নয়।” তিনি আরও বলেন, “সেই সময় কি তৃণমূল ওঁকে বলেছিল টাকা নিতে? দিল্লির কাছে মাথা নতোর আগে আমাদের মৃত্যু ভাল। আমি অমিত শাহের বিরুদ্ধে কথা বলেছি বলে FIR। যখন উনি বলেন ছ’ফুট গর্ত করে পুঁতে দেব তখন ব্য়বস্থা নেওয়া যাবে না। তখন সব চুপ। থানায় গেলেও এফআইআর নেবে না।”
