চলে এসেছে ভোট। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬। আর পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থায় NOTA (None of the Above) বা ‘উপরের কাউকেই পছন্দ নয়’, এই বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে অনেক কৌতূহল রয়েছে। বিশেষ করে—যদি কোনও কেন্দ্রে নোটা সব প্রার্থীর চেয়ে বেশি ভোট পায়, তবে কী হবে? তাহলে কি সেই এলাকায় কোনও বিধায়কই থাকলেন না?
ভোটের মরসুমে বাঙালি একটু চায়ে পে চর্চা করবে না, তা হয় নাকি? পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে যদি কোনও আসনে ‘নোটা’ সব প্রার্থীর চেয়ে বেশি ভোট পায়, তবে আইনত কী ঘটবে? এলাকার সব প্রার্থীই কি হেরে যাবেন? নাকি আবার নির্বাচন হবে?
চালু হওয়ার সাল: ২০১৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভারতে প্রথম নোটা চালু হয়।
উদ্দেশ্য: ভোটারদের ‘প্রত্যাখ্যান করার অধিকার’ (Right to Reject) প্রদান করা এবং রাজনৈতিক দলগুলিকে সৎ প্রার্থী দাঁড় করাতে বাধ্য করা।
প্রতীক: একটি ব্যালট পেপারের ওপর কালো ক্রস চিহ্ন।
অনেকেই মনে করেন নোটা জিতলে নির্বাচন বাতিল হয়ে যায় কিন্তু বর্তমান আইনি কাঠামো অনুযায়ী, বিষয়টি একটু আলাদা। ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) এবং Representation of the People Act, 1951 অনুযায়ী:
কাল্পনিক জয় বনাম বাস্তব জয়: বর্তমানে ভারতে নোটাকে একটি ‘ফিকশনাল ক্যান্ডিডেট’ বা কাল্পনিক প্রার্থী হিসেবে ধরা হয়।
আইন: যদি নোটা ১ লক্ষ ভোট পায় আর দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রার্থী ৫০ হাজার ভোট পান, তবে ওই ৫০ হাজার পাওয়া প্রার্থীকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
এমনটা কেন? আইন বলছে, নোটা আমার-আপনার মতো কোনও ব্যক্তি নয়। এটি কেবল একটি ভোটিং অপশন। তাই বৈধ ভোটের নিরিখে প্রার্থীদের মধ্যে যিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন, তিনিই বিধায়ক হবেন।
তাহলে নোটায় ভোট দিয়ে লাভ কী? এখানেই আসে PUCL বনাম Union of India (২০১৩) মামলার প্রসঙ্গ। সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানায়, নোটা ভোটারদের মনের ভাব প্রকাশের একটি মাধ্যম। তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মহারাষ্ট্র বা হরিয়ানার মতো কিছু রাজ্যের রাজ্য নির্বাচন কমিশন স্থানীয় নির্বাচনে (পঞ্চায়েত বা পুরসভা) নিয়ম বদলেছে। সেখানে নোটা জিতলে পুনরায় নির্বাচনের আদেশ দেওয়া হয়েছে কিন্তু বিধানসভা বা লোকসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন এখনও পুরনো নিয়মই মেনে চলে—অর্থাৎ নোটা জিতলেও দ্বিতীয় স্থানাধিকারীই জয়ী।
বর্তমানে বিভিন্ন মহলে দাবি উঠছে যে—
১. যদি নোটা জয়ী হয়, তবে ওই কেন্দ্রে নির্বাচন বাতিল করতে হবে।
২. পুনরায় নির্বাচনে পুরনো প্রার্থীদের দাঁড়ানো নিষিদ্ধ করতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, নোটা প্রতীকী জয় পেলেও সরকার গঠনে বা প্রার্থী নির্বাচনে তার সরাসরি প্রভাব নেই। তবে এটি রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা। আপনার ভোট আপনার অধিকার, তাই চিন্তাভাবনা করে ভোট দিন…
চলে এসেছে ভোট। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬। আর পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থায় NOTA (None of the Above) বা ‘উপরের কাউকেই পছন্দ নয়’, এই বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে অনেক কৌতূহল রয়েছে। বিশেষ করে—যদি কোনও কেন্দ্রে নোটা সব প্রার্থীর চেয়ে বেশি ভোট পায়, তবে কী হবে? তাহলে কি সেই এলাকায় কোনও বিধায়কই থাকলেন না?
ভোটের মরসুমে বাঙালি একটু চায়ে পে চর্চা করবে না, তা হয় নাকি? পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে যদি কোনও আসনে ‘নোটা’ সব প্রার্থীর চেয়ে বেশি ভোট পায়, তবে আইনত কী ঘটবে? এলাকার সব প্রার্থীই কি হেরে যাবেন? নাকি আবার নির্বাচন হবে?
চালু হওয়ার সাল: ২০১৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভারতে প্রথম নোটা চালু হয়।
উদ্দেশ্য: ভোটারদের ‘প্রত্যাখ্যান করার অধিকার’ (Right to Reject) প্রদান করা এবং রাজনৈতিক দলগুলিকে সৎ প্রার্থী দাঁড় করাতে বাধ্য করা।
প্রতীক: একটি ব্যালট পেপারের ওপর কালো ক্রস চিহ্ন।
অনেকেই মনে করেন নোটা জিতলে নির্বাচন বাতিল হয়ে যায় কিন্তু বর্তমান আইনি কাঠামো অনুযায়ী, বিষয়টি একটু আলাদা। ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) এবং Representation of the People Act, 1951 অনুযায়ী:
কাল্পনিক জয় বনাম বাস্তব জয়: বর্তমানে ভারতে নোটাকে একটি ‘ফিকশনাল ক্যান্ডিডেট’ বা কাল্পনিক প্রার্থী হিসেবে ধরা হয়।
আইন: যদি নোটা ১ লক্ষ ভোট পায় আর দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রার্থী ৫০ হাজার ভোট পান, তবে ওই ৫০ হাজার পাওয়া প্রার্থীকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
এমনটা কেন? আইন বলছে, নোটা আমার-আপনার মতো কোনও ব্যক্তি নয়। এটি কেবল একটি ভোটিং অপশন। তাই বৈধ ভোটের নিরিখে প্রার্থীদের মধ্যে যিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন, তিনিই বিধায়ক হবেন।
তাহলে নোটায় ভোট দিয়ে লাভ কী? এখানেই আসে PUCL বনাম Union of India (২০১৩) মামলার প্রসঙ্গ। সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানায়, নোটা ভোটারদের মনের ভাব প্রকাশের একটি মাধ্যম। তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মহারাষ্ট্র বা হরিয়ানার মতো কিছু রাজ্যের রাজ্য নির্বাচন কমিশন স্থানীয় নির্বাচনে (পঞ্চায়েত বা পুরসভা) নিয়ম বদলেছে। সেখানে নোটা জিতলে পুনরায় নির্বাচনের আদেশ দেওয়া হয়েছে কিন্তু বিধানসভা বা লোকসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন এখনও পুরনো নিয়মই মেনে চলে—অর্থাৎ নোটা জিতলেও দ্বিতীয় স্থানাধিকারীই জয়ী।
বর্তমানে বিভিন্ন মহলে দাবি উঠছে যে—
১. যদি নোটা জয়ী হয়, তবে ওই কেন্দ্রে নির্বাচন বাতিল করতে হবে।
২. পুনরায় নির্বাচনে পুরনো প্রার্থীদের দাঁড়ানো নিষিদ্ধ করতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, নোটা প্রতীকী জয় পেলেও সরকার গঠনে বা প্রার্থী নির্বাচনে তার সরাসরি প্রভাব নেই। তবে এটি রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা। আপনার ভোট আপনার অধিকার, তাই চিন্তাভাবনা করে ভোট দিন…