
কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আছেন, কিন্তু সেই তৃণমূল আর নেই। একসময় যাঁরা মমতার ডানদিক-বাঁদিকে বসতেন, মমতার প্রতি যাঁরা বারবার প্রকাশ্যেই আনুগত্য প্রদর্শন করেছেন, তাঁদের অনেকেই আজ মমতার পাশে নেই। তাঁদের ফেরার আবেদন আগেও করেছেন দলনেত্রী। আর এবার ১৫ দিন সময় দেওয়ার কথা বলেছেন। কালীঘাটে কি সত্যিই ফিরবেন, মমতার দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গী মদন মিত্র (Madan Mitra)?
সোমবার উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার একটি সভায় টেলিফোনে বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, “১৫ দিনের মধ্য়ে বিধায়ক-সাংসদরা ফিরে আসুন।” এই বার্তার কথা শুনে মদন মিত্র এবার চাইলেন হিসেব বুঝে নিতে।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আরও একবার মদন বলেন, “জানিনা, রাজনীতিটা আদৌ আর করা যাবে কি না। ১৫ দিন সময়টা বাড়িয়ে দিলেও জানি না কারা যেতে চাইবে।” তবে ১৫ মাস সময় দিলেও মদন মিত্র ব্যক্তিগতভাবে যে ফিরে যেতে রাজি নন, সেই বার্তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “প্রয়োজনে পলিটিক্স ছেড়ে দেব, কিন্তু আর নতুন করে কালীঘাটের রাজপ্রাসাদে যেতে প্রস্তুত নই। ফিরব বলে আসিনি।” এরপরই মমতার উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, ফিরে গেলে কর্মীরা কী পাবে?
কামারহাটির বিধায়ক তথা গণতান্ত্রিক তৃণমূলের অন্যতম নেতা বলেন, “আপনি নিজের মেডিক্যাল রিপোর্ট বাঁচাতে পারছেন না, কর্মীদের কী সুরক্ষা দেবেন? কর্মীরা কী পাবে, আগে নিশ্চিত করুন। দলের নিয়ন্ত্রণে, কার্যকলাপে এমন কী পরিবর্তন আসবে যে কর্মীরা ফিরে যেতে চাইবেন? যা ছিল তাই আছে।” কালীঘাটের দরজা নিজের জন্য বন্ধই রাখছেন মদন মিত্র।