Weather News: এই লাল-হলুদ সতর্কতার মানে কী? কতটা বৃষ্টি হলে ভারী বা অতিভারী বলা হয়?
Weather News update: আবহাওয়া সব সময় পরিবর্তনশীল। হয়ত একঘণ্টা আগেও যে পূর্বাভাস জারি হয়, তিরিশ মিনিটের মধ্যে তা বদলে যায়। তবে,বাতাসের গতি, ঝড় বৃষ্টির পরিমাণ, বজ্রপাত, ইত্যাদি সব কিছুর উপর নির্ভর করে আবহবিদরা এই ধরনের লাল-কমলা-হলুদ সতর্কতা জারি করে।

তথ্য: কমলেশ চৌধুরী
কলকাতা: আপাতত বৃষ্টি…জমা জল…বন্যা এই সবের মধ্যেই রয়েছে দেশ। কখনও ঘূর্ণাবর্ত, কখনও নিম্নচাপের ‘অশান্তি’ সহ্য করতে হচ্ছে মানুষকে। আবহাওয়ার খবর খুললেই তাই কখনও হলুদ সতর্কতা, কখনও বা লাল সতর্কতা জারির খবর থাকছেই। কোথাও ভারী বৃষ্টি কোথাও আবার অতিভারী বৃষ্টি, কোথাও বৃষ্টির সঙ্গে দমকা বাতাস কিংবা বজ্রপাতের পূর্বাভাস থাকেই। কিন্তু জানেন কি কখন এই হলুদ-কমলা সতর্কতা জারি হয়? কতটা পরিমাণ বৃষ্টি হলে অতিভারী কিংবা ভারী বৃষ্টি বলা হয়?
আবহাওয়া সব সময় পরিবর্তনশীল। হয়ত একঘণ্টা আগেও যে পূর্বাভাস জারি হয়, তিরিশ মিনিটের মধ্যে তা বদলে যায়। তবে,বাতাসের গতি, ঝড় বৃষ্টির পরিমাণ, বজ্রপাত, ইত্যাদি সব কিছুর উপর নির্ভর করে আবহবিদরা এই ধরনের লাল-কমলা-হলুদ সতর্কতা জারি করে। মূলত, সরকার, প্রশাসন ও এনডিআরএফ, এসডিআরএফ কর্মীদের সতর্ক করার জন্যই এই ধরনের রঙিন সতর্কবার্তা জারি করে থাকে হাওয়া অফিস।
বৃষ্টির ভাগাভাগি
আবহাওয়ার পূর্বভাস মূলত দুই ধরনের। একটি নাওকাস্ট। অর্থাৎ এই মুহূর্তে কোনও একটি অঞ্চল কিংবা কোনও একটি জেলার পরিস্থিতি কেমন থাকছে তার উপর সতর্কতা জারি হয়। অন্যটি, ফোরকাস্ট। অর্থাৎ আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া জেলাগুলিতে কেমন থাকতে পারে তা জানানো হয় আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে।
মূলত বৃষ্টির পরিমাণ যদি ৬৫ মিলিমিটার থেকে ১১৫ মিলিমিটার (২৪ ঘণ্টা) হয় তাহলে তা ভারী বৃষ্টি হিসাবে ধরা হয়
এরপর ১১৫ মিলিমিটার থেকে ২০৪ মিলিমিটারের মতো বৃষ্টি হলে তা অতিভারী বৃষ্টি হিসাবে ধরা হয়
আর ২০৪ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হলে সেটি প্রবল ভারী বর্ষণ।
কোন রঙের সতর্কতা কী নির্দেশ করে?
যদি সবুজ সতর্কতা (Green Alert) থাকে তাহলে আবহাওয়া একদম স্বাভাবিক।
- হলুদ সতর্কতা: হলুদ সতর্কতা তখনই জারি হয় যখন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে, ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে হাওয়া বইতে পারে।
- কমলা সতর্কতা: এই বৃষ্টির পরিমাণ যখন অতিভারীতে পৌঁছনোর পরিস্থিতি অর্থাৎ ১১৫ থেকে ২০৪ মিলিমিটার হয়, তখন কমলা সতর্কতা জারি হয়। একই সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা বইলে, বজ্রপাতের আশঙ্কা বেশি থাকলে, তা কমলা সতর্কতা।
- লাল সতর্কতা: আর লাল সতর্কতা জারি হয় প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হলে। যেমন একদিনেই যদি ২০৪ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টির আশঙ্কা থাকে, সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগের চেয়েও জোরে দমকা বাতাস এবং ঘনঘন বজ্রপাতের আশঙ্কা তৈরি হয়।
