CAA Case in Supreme Court: CAA সংক্রান্ত মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট, জমা পড়েছে ২৩৭টি আবেদন
CAA Case in Supreme Court: স্থগিতাদেশের আর্জির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি জানিয়েছেন, আপাতত তাঁর কিছু বলার নেই, কারণ যাঁরা স্থগিতাদেশ চাইছেন, তাঁদের কাছে কোনও সঠিক যুক্তি নেই। শুনানির পর প্রধান বিচারপতি মামলা শুনতে সম্মত হন।

নয়া দিল্লি: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হয়েছে সদ্য। এরপরই সেই আইনে স্থগিতাদেশের আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়েছে দুই শতাধিক আবেদন। সেই সব আবেদন শুনতে সম্মত হল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ১৯ মার্চ, মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে শুনানি। ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ সহ একাধিক সংগঠনের তরফে আর্জি জানানো হয়েছে। আইনজীবী কপিল সিবাল জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আর্জি জানিয়েছেন। ২০১৯ সালে এই আইন সংসদে পাশ হওয়ার পরও একাধিক মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে চলবে শুনানি।
স্থগিতাদেশের আর্জি জানিয়ে কপিল সিব্বল এদিন বলেন, ২০১৯ সালে সিএএ (CAA) পাস হয়েছিল। সেই সময় যেহেতু কোনও বিধি ছিল না, তাই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি। কিন্তু এখন নির্বাচনের আগে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিধি লাগু করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, যদি একবার নাগরিকত্ব দেওয়া হয়ে যায়, তাহলে তা আর প্রত্যাহার করা যাবে না। তাই এখন শুনানির প্রয়োজন।
স্থগিতাদেশের আর্জির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি জানিয়েছেন, আপাতত তাঁর কিছু বলার নেই, কারণ যাঁরা স্থগিতাদেশ চাইছেন, তাঁদের কাছে কোনও সঠিক যুক্তি নেই। শুনানির পর প্রধান বিচারপতি মামলা শুনতে সম্মত হন।
গত ১১ মার্চ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আইন কার্যকর করা হয়েছে গোটা দেশ জুড়ে, এ আইন অনুযায়ী, ভারতের প্রতিবেশী তিন দেশ- বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা অ-মুসলিম শরণার্থীরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন।
