Goutam Adani-Sharad Pawar: শিল্পপতি আদানির সঙ্গে এক ঘণ্টার বৈঠকে শরদ পাওয়ার, জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে
Adani-NCP Chief: আদানির সঙ্গে বৈঠক করতেই তড়িঘড়ি মুম্বই ফিরে আসেন প্রবীণ রাজনীতিক। রাত ৯টায় গৌতম আদানি স্বয়ং এনসিপি সুপ্রিমোর বাড়িতে আসেন এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে শরদ-কন্যা তথা সাংসদ সুপ্রিয়া সুলেও উপস্থিত ছিলেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মুম্বই: ফের এক টেবিলে শিল্পপতি গৌতম আদানি ও এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার। বৃহস্পতিবার রাতে গৌতম আদানির সঙ্গে বৈঠকে বসেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার। প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের মধ্যে বৈঠক চলে। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে।
সূত্রের খবর, ধারাভি প্রকল্প নিয়েই বৃহস্পতিবার রাতে মুম্বইয়ে এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পওয়ারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিশিষ্ট শিল্পপতি গৌতম আদানি। ধারাভি প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতেই গৌতম আদানি এনসিপি সুপ্রিমোর সঙ্গে বারবার বৈঠকে বসছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এবার উদ্ধব ঠাকরে পিছিয়ে আসবেন নাকি আদানির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন, সেদিকেই নজর সকলের।
বৃহস্পতিবার এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার অমরাবতী সফরে যান। সারাদিনের সফর শেষে তিনি মুম্বই ফিরে আসেন এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বলা যায়, আদানির সঙ্গে বৈঠক করতেই তড়িঘড়ি মুম্বই ফিরে আসেন প্রবীণ রাজনীতিক। রাত ৯টায় গৌতম আদানি স্বয়ং এনসিপি সুপ্রিমোর বাড়িতে আসেন এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে শরদ-কন্যা তথা সাংসদ সুপ্রিয়া সুলেও উপস্থিত ছিলেন। যদিও আদানির শরদ পাওয়ারের বাড়িতে আসার কারণ স্পষ্ট নয়। তবে ধারাভি পুনর্বাসন প্রকল্প নিয়েই তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ফলে ধারাভি প্রকল্প নিয়ে ঠাকরে এবং আদানির বিবাদ মেটাতে শরদ পওয়ার মধ্যস্থতাকারী হবেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
যদিও বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন ঠাকরে গ্রুপের সাংসদ সঞ্জয় রাউত। তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, “যদি আদানি ও শরদ পওয়ার বৈঠকে বসেন তাহলেও তার সঙ্গে মহাবিকাশ আঘাদির কী সম্পর্ক?” তাঁর আরও দাবি, “আদানি মূল বিষয় নয়। আমরা ধারাভি প্রকল্পের শর্তাবলীর বিরোধিতা করছি। কে কার সঙ্গে দেখা করছেন তার উপর মহাবিকাশ আঘাদির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে না।” শরদ পওয়ার এবং আদানির মধ্যে অনেক পুরানো সম্পর্ক বলেও জানান সঞ্জয় রাউত।
প্রসঙ্গত, মুম্বইয়ের ধারাভি বস্তিতে বর্তমানে ১০ লক্ষের বেশি মানুষ বসবাস করে। বর্তমানে মোট ৫৭ হাজার ঘর রয়েছে। এই বস্তির পুনর্গঠন প্রকল্প হল ধারাভি প্রকল্প। এই প্রকল্পের বরাত পেয়েছে আদানি গোষ্ঠী। কিন্তু, নানা ইস্যুতে ২০০৪ সাল থেকে এই প্রকল্পের কাজ আটকে রয়েছে। উদ্ধব গোষ্ঠী প্রথম থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে। অন্যদিকে, কংগ্রেস জোট আদানি গোষ্ঠীর ধারাভি প্রকল্পের বরাত পাওয়া নিয়ে প্রথম থেকে বিরোধিতা করলেও উল্টো সুর শোনা গিয়েছে এনসিপি সুপ্রিমোর গলায়। শিল্পক্ষেত্রে বিকাশের জন্য সবসময় আদানি গোষ্ঠীর সমর্থন করেছেন শরদ পওয়ার। এই পরিস্থিতিতে ধারাভি নিয়ে জট কাটাতেই আদানি আঘাধি জোটের অংশ হিসাবে এনসিপি সুপ্রিমোর দ্বারস্থ হয়েছেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
