AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Stop sneezing: Stop sneezing: একটার পর একটা হাঁচি হয়েই চলেছে? এই সহজ কাজটা করে দেখুন

Continuous sneezing cure: পর পর হাঁচি হয়েই চলেছে? কিছুতেই থামছে না? কেন এমন হয় আর কীভাবে ঘরোয়া উপায়েই স্নায়ুকে বোকা বানিয়ে হাঁচি থামানো যায়, জেনে নিন সেই সহজ কৌশল। কী কী করবেন?

Stop sneezing: Stop sneezing: একটার পর একটা হাঁচি হয়েই চলেছে? এই সহজ কাজটা করে দেখুন
কী কী করবেন?Image Credit: Free pik
| Updated on: Sep 16, 2026 | 10:25 AM
Share

হাঁচি (Sneezing) ব্যাপারটা বড়ই অদ্ভুত। ধরুন, অফিসের কোনও গুরুত্বপূর্ণ মিটিং চলছে বা বাসে করে কোথাও যাচ্ছেন, হঠাৎ শুরু হল হাঁচি! একবার শুরু হলে যেন আর থামতেই চায় না। আশেপাশের লোক ঘাড় ঘুরিয়ে দেখছে, আর আপনি রুমালে মুখ ঢেকে নাজেহাল। ধুলোর অ্যালার্জি হোক বা মরসুম বদলের সর্দি, এই টানা হাঁচির চোটে অনেকেই খুব বিরক্ত হন। কিন্তু জানেন কি, হাতের কাছে থাকা কয়েকটি সহজ টোটকাতেই এই মুশকিল আসান হতে পারে? ওষুধের পিছনে না ছুটে, বাড়িতে বসেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।

কী কী করবেন?

স্নায়ুকে বোকা বানানোর কৌশল

নাকের সঙ্গে মস্তিষ্কের সরাসরি যোগ রয়েছে। যদি নার্ভ বা স্নায়ুর মনোযোগ ঘুরিয়ে দিতে পারেন, তবে হাঁচি থেমে যেতে পারে।

টাকরায় সুড়সুড়ি: জিভের ডগা দিয়ে মুখের ভেতরের উপরের অংশে (টাকরায়) কয়েক সেকেন্ড আলতো করে চেপে ধরে রাখুন। এতে স্নায়ু বিভ্রান্ত হয় আর হাঁচির সংকেত আটকে যায়।

মজার কথা বলা: ‘জলে চুন তাজা, তেলে চুল তাজা’— এই ধরনের টাং টুইস্টার বারবার বলতে পারেন। এগুলো বলতে গেলে জিভ জড়িয়ে যায়, ফলে মস্তিষ্কের মনোযোগ অন্যদিকে চলে যায় আর হাঁচিও উধাও হয়।

গন্ধে ও স্বাদ: অনেক সময় তীব্র গন্ধ বা স্বাদ শ্বাসনালীকে আরাম দেয়।

ইউক্যালিপটাস তেল: এই তেলের গন্ধ নাকের পথ পরিষ্কার করতে দারুণ কাজ করে। রুমালে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল নিয়ে বারবার শুঁকতে থাকলে হাঁচির বেগ দ্রুত কমে আসে।

মধুর গুণ: এক চামচ খাঁটি মধু গিলে খেলে গলার খসখসে ভাব দূর হয়। সর্দি বা অ্যালার্জির কারণে হওয়া হাঁচি থামাতে মধু খুব উপকারী।

শারীরিক কায়দায় হাঁচি রোধ করবেন কীভাবে?

শরীরের কিছু নির্দিষ্ট পেশির নড়াচড়াতেও হাঁচি আটকে দেওয়া যায়।

নাক সিটকানো: হঠাৎ কোনও খারাপ গন্ধ পেলে আমরা যেমন নাক সিটকাই, ঠিক তেমন ভঙ্গি করুন। এই সাধারণ পেশির নড়াচড়াতেও হাঁচি আটকে যেতে পারে।

ভ্রুর মাঝখানে চাপ: দুই ভ্রুর ঠিক মাঝখানে আঙুল দিয়ে হালকা চাপ দিয়ে মালিশ করলে অনেক সময় হাঁচির অনুভূতি কমে যায়।

ভাপ নেওয়ার পুরনো পদ্ধতি

ঠান্ডা লেগে হাঁচি হলে গরম জলের ভাপ নেওয়ার চেয়ে ভালো উপায় আর নেই। ফুটন্ত গরম জলের ওপর তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে ভাপ নিলে নাকের ভেতরের পথ পরিষ্কার হয়ে যায়। সর্দি গলে বেরিয়ে আসে, আর হাঁচির সমস্যাও দূর হয়। জোর করে সব হাঁচি আটকে রাখা ঠিক নয়। একটানা বিরক্তিকর হাঁচি শুরু হলে এই কৌশলগুলো আপনার অবশ্যই কাজে আসবে। তবে এই টোটকা তাৎক্ষণিক কাজ করবে। বারবার এই সমস্যার সম্মুখীন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Follow Us