
সরস্বতী পুজোর আবেগ আর গুরুত্ব বাঙালির কাছে একেবারে অন্যরকম। সেই ছোটবেলায় হাতেখড়ি দিয়ে শুরু। প্রথম শাড়ি পরা, পাঞ্জাবি পরা শুরুও এই সরস্বতী পুজো থেকেই। বাড়িতে বাড়িতে হয় বিদ্যার দেবীর আরাধনা। সঙ্গে পাড়া, ক্লাব, স্কুল, কলেজ তো আছেই। নিজের হাতে বাজার করা, সাজানো কত কাজই না থাকে। শাড়ি-পাঞ্জাবির প্রথম প্রেম, আড়চোখে ভাল লাগা কিন্তু শুরু হয় এই সরস্বতী পুজো থেকেই। বাঙালির ভ্যালেন্টাইন্স ডে এই সরস্বতাী পুজো। ছোটদের বড় হওয়ার দিন এই পুজো। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মারতে যাওয়া, লুকিয়ে দেখা করা, এই একদিন বাড়ি থেকে মা-বাবার অনুমতি ছাড়াই অনেকক্ষণ ঘুরে বেড়ানো যায়। এদিকে অনেক বছর পর সরস্বতী পুজো আর ভ্যালেন্টাইন্স ডে একদিনে পড়েছে। সব মিলিয়ে বাঙালির এবার ডবল মজা।
এই দিনের বিশেষ আকর্ষণ হল বাসন্তী রঙের শাড়ি আর পাঞ্জাবি। সরস্বতী পুজোর দিনে কী শাড়ি পরা হবে তা আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। এমনকী মায়ের আলমারি থেকে পছন্দের শাড়ি পরার জন্য কত আকুতি মিনতিই না করতে হয়। বিদায়ের পথে শীত। বাতাসে এখন প্রেমের গুঞ্জন। আর তাই এমন দিনে আপনার সাজও যে বিশেষ হবে এই নিয়ে কোনও রকম সন্দেহ নেই। এমন দিনে কেমন শাড়ি পরবেন তা ঠিক করে রেখেছেন কি? অভিনেত্রী সোহিনী সরকারের কাজ সকলেরই বেশ পছন্দের। সোহিনী শাড়ি পরতে খুব ভালবাসেন আর তিনি শাড়ি খুব সুন্দর ভাবে পরেন। সোহিনীর পছন্দের শাড়ির মধ্যে থাকে ঢাকাই, হ্যান্ডলুম বা ট্র্যাডিশন্যাল সিল্ক। যে কোনও অনুষ্ঠানেই এমন শাড়ি পড়লে দেখতে বেশ ভাল লাগে। সরস্বতী পুজো সঙ্গে আবার প্রেম দিবস, লাল রঙের ঢাকাই এদিন দেখতে লাগে খুবই ভাল। শাড়ির সঙ্গে ঝুমকো পরুন, এতে দেখতে বেশ লাগে। আর ভ্যালেন্টাইন্স ডে এর সন্ধ্যেতে যদি ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের পরিকল্পনা থাকে তাহলে হলুদ খাদি-তসরের শাড়ি বেছে নিতে পারেন। যেমনটা পরেছেন সোহিনী। সঙ্গে অমন স্টাইলিশ হেয়ার ব্যান্ড বেছে নিতে পারেন।
এই হেয়ার ব্যান্ড এখন খুবই ইন। আর তাই এমন সব গয়না পরলে দেখতেও লাগে খুব সুন্দর। ভালবাসার দিন। তাই নিজের মত করে সাজুন। তবে এমন কিছু বাছবেন না যা বেশি চকমক করবে না। তবেই কিন্তু দেখতে ভাল লাগবে।