আপনার সানস্ক্রিনে SPF নেই? এই হোমমেড সান প্রোটেকশনে পাবেন বসন্তের রোদ থেকে মুক্তি
Homemade Sunscreens: বাজারে বিভিন্ন ধরনের সানস্ক্রিন পাওয়া যায়। এসপিএফ ৩০ যুক্ত সানস্ক্রিন দেখেই কিনুন। তবেই, সূর্যালোকের হাত থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন। সানস্ক্রিনের দাম অন্যান্য প্রসাধনীর থেকে একটু বেশিই হয়। পকেটের টান থাকলে বাড়িতেও বানিয়ে নিতে পারেন এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন।

বসন্তের আমেজে রোদে বেরোলে হাত-পা পুড়ে যাচ্ছে। সানগ্লাস আর ছাতা ছাড়া এই রোদে রাস্তায় বেরোনো বিপদ। আর সানস্ক্রিন ছাড়া বেরোলে ক্ষতি হবেই। সূর্যের আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মি ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে। ফুলহাতা জামা পরে বেরোনোর পরও, পায়ের পাতায় রোদে পড়ে। এইটুকু রোদও ত্বকের জন্য ভাল নয়। পায়ের ট্যান যেন-তেন প্রকারে তুলে ফেললেও, স্কিন ক্যানসারের ঝুঁকি এড়ানো যায় না। অনেকেই হয়তো জানেন না, সানস্ক্রিন ছাড়া দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকলে স্কিন ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
বাজারে বিভিন্ন ধরনের সানস্ক্রিন পাওয়া যায়। এসপিএফ ৩০ যুক্ত সানস্ক্রিন দেখেই কিনুন। তবেই, সূর্যালোকের হাত থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন। সানস্ক্রিনের দাম অন্যান্য প্রসাধনীর থেকে একটু বেশিই হয়। পকেটের টান থাকলে বাড়িতেও বানিয়ে নিতে পারেন এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন। এমন ৩টি হোমমেড সানস্ক্রিনের খোঁজ রইল আপনার জন্য।
১) ৫০মিলি জল নিন। এতে ১ চামচ তাজা গ্লিসারিন বা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। পাশাপাশি এতে ১/২ চামচ সূর্যমুখীর তেল মিশিয়ে ফেটিয়ে নিন। এতে ক্রিম তৈরি হয়ে যাবে। একদম শেষে এতে ৩ থেকে ৪ চামচ জিঙ্ক অক্সাইড যোগ করুন। তৈরি হোমমেড সানস্ক্রিন। আপনার সানস্ক্রিন যদি ৬০ মিলি-এর হয়, তাহলে ৩ চামচ জিঙ্ক অক্সাইড যোগ করে এর এসপিএফ হবে ১৫। তাই জিঙ্ক অক্সাইড অবশ্যই ব্যবহার করুন। আর যদি শুষ্ক ত্বক হয়, তাহলে এতে ৩-৪ ফোঁটা ভিটামিন ই অয়েল মেশাতে পারেন।
২) ২ চামচ করে নারকেল তেল, তিলের তেল ও সূর্যমুখীর তেল নিন। এবার এই তেলের মিশ্রণটি অল্প আঁচে গরম করে নিন। এবার এতে কয়েক ফোঁটা ভিটামিন ই অয়েল মিশিয়ে দিন। এরপর সানস্ক্রিনের পরিমাণ বুঝে জিঙ্ক অক্সাইড মিশিয়ে দিন। যদি সানস্ক্রিন ঘনত্ব অনুযায়ী ১৫% জিঙ্ক অক্সাইড ব্যবহার করেন তাহলে এসপিএফ ১৫ বা ১৮ হবে।
৩) অ্যালোভেরার পাতা থেকে তাজা জেল বের করে নিন। এই জেলের সঙ্গে এক চিমটে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এবার এই মিশ্রণটি বরফের ট্রেতে দিয়ে আইস কিউব বানিয়ে নিন। রোদে বেরোনোর আগে এই আইস কিউব মুখে এবং হাত-পায়ে ঘষে নিন। এতে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান রয়েছে। এটি ঘামের মাধ্যমে তৈরি হওয়া ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখবে।
