
সুগারের রোগী ঘরে-ঘরে। অনিয়ম জীবনযাপনের ফলে দিন দিন বেড়ে চলেছে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা। সুগার হচ্ছে এমন একটি রোগ, যা আপনার দেহে আরও পাঁচ রকমের শারীরিক সমস্যা ডেকে আনতে পারে।

ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ভাজাভুজি, ফ্যাট ও মিষ্টিযুক্ত খাবার সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলতে হয় ডায়াবেটিসে। খেতে হয় দানাশস্য, তাজা শাকসবজি ও ফল।

ফলের মতো পুষ্টিকর খাবার রোজ খেলে একাধিক রোগের হাত থেকে দূরে থাকতে পারবেন। কিন্তু ডায়াবেটিসে সব ধরনের ফল চলে না। চলে না ফলের রসও। আবার অনেক সময় স্বাস্থ্যকর ফল খেলেও রক্তে সুগার লেভেল বাড়তে পারে।

তরমুজের দিন আসছে। জলের পরিমাণ বেশি এই ফলে। তবু ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপযুক্ত নয় তরমুজ। এই গ্রীষ্মকালীন ফলের গ্লাইসেমিক সূচক ৭২-৮০ এবং এতে উচ্চ পরিমাণে শর্করার রয়েছে। তাই গরমে বুঝেশুনে তরমুজ খাওয়াই ভাল।

রোজ একটা করে কলা খেলে পেট পরিষ্কার হয়ে যায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু সুগার থাকলে কলাকে এড়িয়ে যাওয়া উচিত। পাকা কলার গ্লাইসেমিক সূচক ৪২-৬২। দিনে একটার বেশি কলা খেলেই বিপদে পড়তে পারেন।

আনারসের মধ্যে প্রাকৃতিক শর্করার পরিমাণ বেশি। আর এই ফলের গ্লাইসেমিক সূচক ৫০-৬৬। তাই নিয়মিত আনারস খেলে হঠাৎ করে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যেতে পারে।

বছরে মাত্র ২ মাস পাকা আম পাওয়া যায়। কিন্তু এই দু'মাস যদি পাকা আম খেয়ে ফেলেন, আপনিই বিপদে পড়বেন। পাকা আমের মধ্যে সুক্রোজ ও ফ্রুটোজ রয়েছে এবং গ্লাইসেমিক সূচক ৫১-৬০। তাই সুগার রোগীদের এই ফল এড়িয়ে যাওয়া উচিত।

বাজারে ইতিমধ্যেই দেখা মিলতে শুরু করেছে আঙুরের। কিন্তু ডায়াবেটিসের রোগীদের আঙুর থেকে দূরে থাকতে হবে। আঙুরের গ্লাইসেমিক সূচক ৪৬-৫৩। মাঝেমধ্যে ৫-১০টা আঙুর খেলে কোনও ক্ষতি নেই। মাত্রাতিরিক্ত আঙুর বিপদ ডেকে আনতে পারে।