Dhanteras 2026: ধনতেরাসে ভুলেও কিনবেন না এই ৪টি জিনিস, রুষ্ট হবেন মা লক্ষ্মী, শনিদেব! সংসারে ঘনাবে ঘোর অমঙ্গল
Dhanteras shopping: সামনেই ধনতেরাস। সোনা, রুপো বা নতুন বাসন কেনার ধুম তো থাকবেই। কিন্তু জানেন কি, এই দিন ভুল করে কিছু জিনিস কিনে ফেললে ঘোর অমঙ্গল হতে পারে? জেনে নিন ধনতেরসে কী কী কেনা একদম উচিত নয়।

ধনতেরাস (Dhanteras) এলেই সোনা, রুপো বা অন্তত একটা নতুন বাসন কেনার হিড়িক পড়ে যায় সব বাড়িতে। আগামী ৬ নভেম্বর, শুক্রবার দেশজুড়ে পালিত হবে এবারের ধনতেরাস। শাস্ত্র মতে, এই বিশেষ দিনটি হল সম্পদের দেবী লক্ষ্মী এবং স্বাস্থ্যের দেবতা ধন্বন্তরির জন্মতিথি। তাই এই পুণ্য তিথিতে নতুন কিছু কিনে সংসারে সুখ আর ভাগ্য ফেরানোর চেষ্টা করেন সবাই।
কিন্তু আপনি কি জানেন, বাজার করার আনন্দে অনেকেই এমন কিছু ভুল করে ফেলেন, যার মাশুল গুনতে হতে পারে সারা জীবন? হ্যাঁ, এমন কিছু জিনিস আছে, যা এই দিন কেনা একেবারেই বারণ। জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে, এই জিনিসগুলো ঘরে আনলে লক্ষ্মীলাভ তো হবেই না, উলটে জীবনে কষ্টের আর শেষ থাকবে না। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, ধনতেরাসের দিন ঠিক কোন জিনিসগুলো কেনা থেকে দূরে থাকবেন।
কালো রঙের জিনিস উৎসবের আনন্দে কালো রং সব সময়ই অশুভ বলে ধরা হয়। তাই ধনতেরাসের পুণ্য লগ্নে কালো রঙের কোনও জিনিস কেনা থেকে একদম দূরে থাকুন। জামাকাপড় হোক বা ঘরের অন্য কোনও সাজানোর জিনিস, এই দিন কালো রং একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত।
লোহার তৈরি জিনিসপত্র শাস্ত্র মতে, লোহার সঙ্গে শনিদেবের একটা সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই ধনতেরাসে লোহার তৈরি কোনও পাত্র বা জিনিসপত্র একদম কিনবেন না। বিশ্বাস করা হয়, এতে দেবী লক্ষ্মী রুষ্ট হন এবং জীবনে শনির অশুভ প্রভাব পড়তে শুরু করে।
কাচের সামগ্রী ঘর সাজাতে অনেকেই সুন্দর কাচের জিনিস কিনতে ভালোবাসেন। তবে ধনতেরাসের দিন কাচের তৈরি কোনও জিনিস কেনা একেবারেই ঠিক নয়। মনে করা হয়, কাচের জিনিস কিনলে আপনার ভাগ্যের উপর খুব খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।
ধারালো বা ছুঁচলো জিনিস বঁটি, ছুরি, কাঁচি বা ছুঁচ, এই ধরনের ধারালো বা ছুঁচলো জিনিস এইদিন কেনা ঘোরতর অমঙ্গলের। এতে সংসারে অশান্তি বাড়ে এবং ভাগ্য খারাপ হতে শুরু করে।
তাই ৬ নভেম্বর উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠার আগে খেয়াল রাখুন এই ছোট ছোট বিষয়গুলি। ভুল জিনিস কেনা এড়িয়ে চলুন। সঠিক কেনাকাটা করে দেবী লক্ষ্মী এবং ধন্বন্তরির আশীর্বাদ লাভ করুন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্যগুলি সম্পূর্ণ জ্যোতিষশাস্ত্র ও প্রচলিত লোকবিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল। পাঠকের আগ্রহের কথা মাথায় রেখেই প্রতিবেদনটি লেখা হয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনে এগুলি মেনে চলার আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞর সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া উচিত।
