AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ঠাকুরঘরে এই ৫টি জিনিস রাখলে রুষ্ট হন লক্ষ্মী! আজই সরিয়ে ফেলুন, নয়তো বাড়বে বিপদ

ঠাকুরঘরে ভুলেও কোনও দেব-দেবীর ভাঙা বা ফাটল ধরা মূর্তি রাখবেন না। বাস্তুশাস্ত্র বলছে, খণ্ডিত মূর্তির পূজা করলে বাড়িতে নেতিবাচক শক্তি বাড়ে এবং জীবনে নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। এমন মূর্তি বাড়িতে রাখা অমঙ্গলজনক। যদি কোনও মূর্তি ভেঙে যায়, তবে তা সসম্মানে কোনও পবিত্র নদীতে বিসর্জন দেওয়া উচিত।

ঠাকুরঘরে এই ৫টি জিনিস রাখলে রুষ্ট হন লক্ষ্মী! আজই সরিয়ে ফেলুন, নয়তো বাড়বে বিপদ
| Updated on: Jan 15, 2026 | 5:45 PM
Share

সনাতন ধর্মে বাস্তুশাস্ত্রকে একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান হিসেবে গণ্য করা হয়। বাস্তু মতে, বাড়ির প্রতিটি কোণের ইতিবাচক শক্তির ওপর আমাদের সুখ-সমৃদ্ধি নির্ভর করে। বিশেষ করে বাড়ির ঠাকুরঘর বা মন্দির হল সবচেয়ে পবিত্র স্থান। কিন্তু অজান্তেই আমরা ঠাকুরঘরে এমন কিছু জিনিস রেখে ফেলি, যার ফলে পুজোর ফল তো মেলেই না, উল্টে দেবী লক্ষ্মী ঘর ত্যাগ করেন এবং পরিবারে নেমে আসে অশান্তি ও দারিদ্র্য।

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়ির মন্দিরে কোন জিনিসগুলি রাখা নিষিদ্ধ, তা জেনে নিন:

ভাঙা বা খণ্ডিত মূর্তি

ঠাকুরঘরে ভুলেও কোনও দেব-দেবীর ভাঙা বা ফাটল ধরা মূর্তি রাখবেন না। বাস্তুশাস্ত্র বলছে, খণ্ডিত মূর্তির পূজা করলে বাড়িতে নেতিবাচক শক্তি বাড়ে এবং জীবনে নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। এমন মূর্তি বাড়িতে রাখা অমঙ্গলজনক। যদি কোনও মূর্তি ভেঙে যায়, তবে তা সসম্মানে কোনও পবিত্র নদীতে বিসর্জন দেওয়া উচিত।

পূর্বপুরুষ বা পিতৃপুরুষের ছবি

অনেকেই ভক্তিভরে ঠাকুরঘরে দেব-দেবীর পাশেই মৃত আত্মীয় বা পিতৃপুরুষের ছবি রাখেন। কিন্তু শাস্ত্রে দেবতা ও পিতৃপুরুষের স্থান আলাদা বলা হয়েছে। মন্দিরে পূর্বপুরুষদের ছবি রাখলে অশুভ শক্তির প্রভাব বাড়ে এবং পারিবারিক শান্তি বিঘ্নিত হয়। বাস্তু মতে, পিতৃপুরুষের ছবি রাখার জন্য বাড়ির দক্ষিণ দিক সবচেয়ে শুভ।

ছেঁড়া ধর্মীয় বই ঠাকুরঘরে ছেঁড়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া ধর্মীয় গ্রন্থ রাখা অত্যন্ত অশুভ। মনে করা হয়, ছেঁড়া ধর্মীয় বই মন্দিরে থাকলে তা ব্যক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং আধ্যাত্মিক উন্নতিতে বাধা দেয়। এই ধরনের বই থাকলে তা যত্ন সহকারে জলে ভাসিয়ে দেওয়া অথবা কোনো পবিত্র স্থানে রাখা উচিত।

ধারালো বা ছুঁচলো বস্তু

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মন্দিরে কাঁচি, ছুরি বা অন্য কোনো ধারালো জিনিস রাখা একেবারেই অনুচিত। ধারালো বস্তু নেতিবাচকতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। মন্দিরে এমন জিনিস থাকলে পারিবারিক কলহ ও অশান্তি বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে।

শুকনো ফুল বা বাসি মালা পূজার সময় আমরা প্রতিদিন ভগবানকে তাজা ফুল নিবেদন করি। কিন্তু পরের দিন সকালেই সেই শুকনো ফুল বা বাসি মালা মন্দির থেকে সরিয়ে ফেলা উচিত। শুকনো ফুল নেতিবাচক শক্তির আধার হয়ে ওঠে, যা বাড়ির পজিটিভ এনার্জিকে নষ্ট করে দেয়। শুকনো ফুল পবিত্র নদীতে ভাসিয়ে দিন অথবা কোনো গাছের নিচে মাটির নিচে চাপা দিয়ে দিন।