
কলকাতা : এখনও ঘোর কাটছে না মুম্বইয়ের দর্শকদের। গতকাল ২০ ওভারে ২৫৩ তোলার পরেও যেভাবে মাত্র ৭ রানে জিতেছে ভারত, তাতে ভারতের বোলিং নিয়ে যতটা চিন্তায় ভারতের সমর্থকরা, তার থেকেও বেশি চিন্তায় ফিন অ্যালেনকে নিয়ে। সেমি ফাইনালে ৩৩ বলে শতরান করে বিশ্বরেকর্ড করেছেন ফিন। দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন টিম সেইফার্টও। আগামী রবিবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড। এই ম্যাচ মনে করাচ্ছে ২০১৯ ও ২০২৩ বিশ্বকাপ সেমি ফাইনালের শেষ চারের ম্যাচকে।
আহমেদাবাদের মাঠ এমনিতেই চর্চিত। রবিবার গুজরাটের তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩২-৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আকাশ পরিষ্কার থাকবে, ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। গরমের পরিমান বেশি থাকতে পারে। নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেও বড় ফ্যাক্টর হবে শিশির। বিশেষত, দ্বিতীয় ইনিংসের সময় শিশির পড়তে পারে। টস গুরুত্বপূর্ণ হবে। টসে জেতা দলের পক্ষে ফিল্ডিং নেওয়া উচিত সিদ্ধান্ত হতে পারে। পরে ব্যাট করা সহজ হয়ে যাবে বলেই আশা পিচ প্রস্তুতকারকের। পরে ব্যাট করা সহজ হয়ে যাবে বলেই আশা পিচ প্রস্তুতকারকের। এখানে লাল ও কালো দুই ধরণের পিচই রয়েছে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের মতো আশা করা হচ্ছে, ফাইনালও কালো পিচেই হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ম্যাচের শুরুতে পেসাররা বাউন্সের সুবিধে পেতে পারে। তবে মাঝের ওভারে সুবিধে পাবেন স্পিনাররা। এই স্টেডিয়ামের বাউন্ডারি বড় হওয়ার ছক্কা মারা একটু হলেও কঠিন ব্যাটারদের কাছে কিন্তু দুই দলের ব্যাটিং বড্ড শক্তিশালী। এই মাঠে ১৭০-১৮০ রান ভাল স্কোর হিসেবে ধরা হয় তবে ব্যাটিং সহায়ক পিচ হলে ২০০ রানও ওঠে।
আহমেদাবাদ স্টেডিয়াম ভারতীয় সমর্থকদের জন্য বরাবরের অভিশপ্ত। ২০২৩ সালে এই মাঠেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ স্বপ্ন চুরমার হয়ে গিয়েছিল ভারতের। ভারতের কাপ আশা শেষ করে দিয়েছিলেন ট্র্যাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশানে। রবিবার সেই নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেই ফাইনাল খেলতে নামবে ভারতীয় দল। দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন সঞ্জু স্যামসন, জসপ্রীত বুমরা। উল্টোদিকে দুর্ধর্ষ ফর্মে থাকা কিউয়িরা। ফাইনালে নিউজিল্যান্ড বধ করে অপয়া স্টেডিয়ামের অভিশাপ ঘোচাতে মরিয়া থাকবেন সূর্যকুমার যাদবরা।