
হার্দিক পান্ডিয়া কেন টিমে? ক্যাপ্টেন বলে! তিনি কেন ক্যাপ্টেন! এরকম নানা প্রশ্ন। এমনটাই স্বাভাবিক নয় কি? ঘরের মাঠে ওয়ান ডে বিশ্বকাপে চতুর্থ ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চোট পেয়েছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। দীর্ঘ দিন ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন। রিহ্যাব চলে। এরপর আর জাতীয় দলে পাওয়া যায়নি। মুম্বইয়ে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি খেলেন। সেখানেই আইপিএলের প্রস্তুতি সেরে নেন। তবে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এখনও অবধি দায়িত্বশীল একটা ইনিংস কিংবা বোলিং স্পেল দেখা যায়নি হার্দিকের থেকে।
আজই আমেদাবাদে দল নির্বাচনী বৈঠকে বসেছিলেন আগরকররা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের স্কোয়াড বেছে নেওয়া হয়েছে। সঙ্গে চারজন রিজার্ভ। রোহিত শর্মা বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দেবেন আগেই ঠিক ছিল। তবে স্কোয়াডে জায়গা নড়বড়ে ছিল হার্দিক পান্ডিয়ার। দীর্ঘ দিন জাতীয় দলের হয়ে খেলেননি। আইপিএলেও পারফরম্যান্স আহামরি নয় এ বার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্যাপ্টেন হিসেবে ফ্লপ। আরও অস্বস্তি বাড়ল লখনউয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে।
বিশ্বকাপের স্কোয়াডে সহ অধিনায়ক করা হয়েছে হার্দিক পান্ডিয়াকে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে তিনি ক্যাপ্টেন। দলের বিপদের সময় ব্যাটিং নেমে প্রথম বলেই খোঁচা মেরে আউট হলেন। সে কারণেই প্রশ্নটা আরও জোরালো হচ্ছে। জাতীয় দলে তাঁকে ফিনিশারের ভূমিকায় দেখা হচ্ছে। যার জন্য সুযোগ দেওয়া যায়নি রিঙ্কু সিংয়ের মতো তরুণ ব্যাটারকে। জাতীয় দলের হয়ে সীমিত সুযোগে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন রিঙ্কু। দেশের হয়ে খেলা শেষ টি-টোয়েন্টি ৬৯ রানের বিধ্বংসী অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন।
বিশ্বকাপের দলে আর এক ফিনিশার শিবম দুবে। তাঁর সিলেকশন নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন তোলার জায়গা নেই। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত পারফর্ম করছেন শিবম। তাঁর সুযোগ পাওয়াটা প্রত্যাশিত ছিল। আইপিএলে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই যদি দল বেছে নেওয়া হয় তাতে হার্দিক কোনও ভাবেই সুযোগ পাওয়ার কথা নয়। এমনকি জাতীয় দলেও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স একেবারেই আহামরি নয়। তা হলে কি অতীত পারফরম্যান্সের জেরেই দলে হার্দিক? এই প্রশ্নের যেন কোনও জবাব নেই। দেশের হয়ে কোন ম্যাচে শেষ বার উইনিং পারফরম্যান্স করেছিলেন, এর জন্যও পরিসংখ্যান ঘাটতে হবে।