
শুধুই কি রাজস্থান রয়্যালস সমর্থকরা! বোধ হয় নয়। পয়েন্ট টেবলে প্রথম দুইয়ের বাইরে থাকা প্রতিটি দলই চাইছিল রাজস্থান রয়্যালস জয়ের রাস্তায় ফিরুক। তা হলে তাদের রাস্তা একটু হলেও খুলবে। দিল্লি ক্যাপিটালসের জয়ে চাপ বাড়ল বাকি দলগুলোর। ১২ পয়েন্টের ট্রাফিক জ্যামে দিল্লি সহ এখন চারটি দল। এর মধ্যে আজ মুখোমুখি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও লখনউ সুপার জায়ান্টস। এই দুই দলের কাছে ২ পয়েন্ট হারানো মানে দৌড়ে পিছিয়ে পড়া।
এ মরসুমের মতো হোম ম্যাচ শেষ লখনউ সুপার জায়ান্টসের। ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে নেমেছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। ব্যাটারদের জন্য এ বারের আইপিএলের অন্যতম কঠিন ভেনু। লো স্কোরিং ম্যাচই দেখা গিয়েছে। তবে কলকাতার ওপেনিং জুটির দাপট। লখনউকে ২৩৬ রানের বড় টার্গেট দিয়েছিল কেকেআর। ৯৮ রানের বড় ব্যবধানে হারে নেট রান রেটেও চাপে পড়েছে লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বাধীন লখনউ।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এ বারের আইপিএলের সবচেয়ে বিধ্বংসী দল। মূলত ব্যাটিংয়ের দিক থেকে। তাদের বোলিং আক্রমণও ক্রমশ ভালো পারফর্ম করেছে। গত ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হেরে চাপে তারাও। বলা ভালো সূর্যকুমার যাদবের কাছে হার। ঘরের মাঠে ম্যাচ। এটাই আজ প্লাস পয়েন্ট সানরাইজার্সের জন্য। লখনউ সুপার জায়ান্টস বোলিংয়ে সেই শুরুর দিকের ধার নেই। সানরাইজার্স ব্যাটিং এক দু-ম্যাচে ফ্লপ করলেও ধারাবাহিক বিধ্বংসী পারফর্ম করেছে। লখনউয়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে, বলার অপেক্ষা রাখে না।