
স্লগ ওভারের শের! নতুন বলেও তাই। জসপ্রীত বুমরার হাতে বল মানেই বিপদ। নতুন বলে উইকেট নিয়েছিলেন। কিন্তু আসল ধামাকা স্লগ ওভারে। বিশেষ করে বলতে হয়, ১৭তম ওভারের কথা। বুমরার বিধ্বংসী স্পেলে প্রবল চাপে গুজরাট টাইটান্স। দুর্দান্ত শুরু হলেও ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৮ রান করতে পারল তারা। যা পরিস্থিতি ছিল, একটা সময় মনে হয়েছিল ২০০-র কাছাকাছি পৌঁছতে পারে গুজরাট টাইটান্স।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। বিদেশে তাঁর পারফরম্যান্স বরাবরই প্রশংসনীয়। ঘরের মাঠে খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পান না। এ বার চোখ ধাঁধানো পারফর্ম করেন। লাল-বলের ফর্ম বজায় রইল টি-টোয়েন্টিও। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হার্দিক। সেই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করেন বোলাররা। এর মধ্যে বারবার বলতে হয় বুমরার কথা।
নতুন বলে দুর্দান্ত ইয়র্কারে ফিরিয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহাকে। ১৭তম ওভারে প্রথম বলেই ফেরান ডেভিড মিলারকে। স্লগ ওভারে তাঁর মতো ব্যাটার ক্রিজে থাকলে বিপদ বাড়তে পারত মুম্বইয়ের। সেই বিপদ কাটিয়ে দেন বুমরা। একই ওভারে এক বলের ব্যবধানে ফেরান সেট ব্যাটার সাই সুদর্শনকে। সব মিলিয়ে ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট বুমাররা। তাঁর করা ৪ ওভারের মধ্যে ১৪টি ডট বল।
পরিসংখ্যান বলছে, এই নিয়ে অষ্টম বার আইপিএলে ৪ ওভারের স্পেলে ১৪ কিংবা তার কম রান দিয়েছেন বুমরা। এমন পরিসংখ্যানে বুমরার থেকে এগিয়ে মাত্র দু-জন। কেকেআরের মিস্ট্রি স্পিনার সুনীল নারিন (৯) এবং গুজরাট টাইটান্সের লেগ স্পিনার রশিদ খান (৯)।