
জীতেশ শর্মার নামটা কি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের স্কোয়াডে লিখে রাখা উচিত? ঋষভ পন্থ ফিট হয়ে উঠলেও বিশ্বকাপের দলে কার্যত নিশ্চিত জীতেশের জায়গা। বিশাল কোনও পরিবর্তন না হলে এমনই হবে। গত কয়েক মাস ভারতের সমস্ত টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম পছন্দের কিপার ছিলেন জীতেশ। ব্যাটিংয়েও ভরসা দিয়েছেন। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের এ মরসুমে ধারাবাহিকতা দেখানো মানেই বিশ্বকাপের স্কোয়াডে। কিপিংয়ে এমনই ম্যাজিক দেখালেন জীতেশ। ঠিক যেমন ২০২২ সালের আইপিএলে মহেন্দ্র সিং ধোনির বিরুদ্ধে করেছিলেন।
দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে এ বারের আইপিএল অভিযান শুরু হল পঞ্জাব কিংসের। ম্যাচে আকর্ষণের নানা দিক রয়েছে। তবে আলাদা করে নজর কাড়ল জীতেশ শর্মার ডিআরএস। বোলার হরব্রীত ব্রার নিজে এক বিন্দুও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না। ব্যাটিংয়ে ছিলেন রিকি ভুই। বাঁ হাতি স্পিনার হরপ্রীতের ডেলিভারি লেগ সাইডে। বল ধরেন জীতেশ। অন ফিল্ড আম্পায়ার নিখিল পটবর্ধন ওয়াইড দেন। কিপার জীতেশ শর্মা ক্যাচের আবেদন করেই যান। অধিনায়ক শিখর ধাওয়ানকে রিভিউ নিতে বাধ্য করেন।
টিভি আম্পায়ারের দায়িত্বে ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স ওয়ার্ফ। স্নিকোমিটারে পরিষ্কার ধরা পড়ে বল জীতেশের গ্লাভসে জমা পড়ার আগে রিকির গ্লাভস ছুঁয়েছে। ২০২২ সালের আইপিএলে এমএস ধোনির বিরুদ্ধে লেগ সাইডে এমনই একটা ক্যাচের আবেদন করেছিলেন পঞ্জাব কিংসের কিপার জীতেশ। আম্পায়ার ওয়াইড দিলেও কিপারের কথায় রিভিউ নিয়েছিলেন তৎকালীন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। যে ডিআরএসকে ধোনি রিভিউ সিস্টেম বলা হয়ে থাকে, তাঁর বিরুদ্ধে এমন ডিআরএস নেওয়াটা সাহসী সিদ্ধান্ত ছিল। তৃতীয় আম্পায়ার পরীক্ষার পর আউটের সিদ্ধান্ত দেন।
পরবর্তীতে এই ডিআরএস নিয়ে জীতেশ বলেছিলেন, ‘ম্যাচে পুরোপুরি জড়িয়ে থাকার সময় অনেক কিছুই উপলব্ধি করা যায় না। আমি সাউন্ড পাওয়ায় ডিআরএস নিতে বলেছিলাম। হোটেলে ফিরে বুঝেছিলাম, ওই উইকেটের মূল্য। সিদ্ধান্তটাও কত সাহসী ছিল, উপলব্ধি করেছিলাম।’